বাংলাদেশ-জাপান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গতকাল (বুধবার) টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাপানের ৩০ জন শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীর অংশগ্রহণে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী। সভার শুরুতে রাষ্ট্রদূত প্রতিনিধিদলকে
ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের মূল্য বাড়ানো হয়েছে। প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৭২৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৯৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। রবিবার (১৯ এপ্রিল) এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন দাম গতকাল সন্ধ্যা থেকে কার্যকর হবে।
বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের বিক্রয়মূল্য পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অকটেনের দাম বেড়ে প্রতি লিটার ১৪০ টাকা এবং পেট্রোলের দাম ১৩৫ টাকা করা হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে পতনের মুখে পড়েছিল স্বর্ণের দাম। তবে সেই ধাক্কা কাটিয়ে আবারও ঘুরে দাঁড়িয়েছে মূল্যবান ধাতুটি। শুক্রবার মার্কিন ডলারের দুর্বলতা এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করার ঘোষণায় স্বর্ণের দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে আরেক মূল্যবান ধাতু রুপার দামেও
দেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনা তদারকি ও সমন্বয় জোরদারে সব পেট্রোল পাম্পে ট্যাগ অফিসার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়। শুক্রবার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক অনলাইন সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে
দেশের বাজারে এক দিনে দুইবার সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। দুই দফায় মোট বেড়েছে ভরিপ্রতি সর্বোচ্চ ৬ হাজার ৫৯০ টাকা। এতে করে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) সোনার ভরি বেড়ে দুই লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকায় উঠেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জেরে বিশ্বজুড়েই জ্বালানি সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। এর আঁচ লেগেছে বাংলাদেশেও। দায়িত্ব নেওয়ার এক মাসেরও কম সময়ে সরকার জ্বালানি সংকটের শঙ্কায় দুশ্চিন্তায় পড়েছে। এই অবস্থায় নানা বিকল্প উপায়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে আশার কথা
রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে হঠাৎ করেই বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমে গেছে। অনেক দোকানে প্রয়োজন অনুযায়ী তেল পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও কোথাও ক্রেতাদের একাধিক দোকান ঘুরেও তেল কিনতে হচ্ছে। এ অবস্থায় খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের দামও বেড়ে গেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন,
দেশে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশে জ্বালানি তেল কিংবা ভোজ্যতেলের কোনো সংকট নেই। বাজারেও সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। ফলে দামও বাড়ার সম্ভাবনা নেই। সোমবার (৯ মার্চ) সচিবালয়ে ভোজ্যতেলের সরবরাহ নিয়ে উৎপাদক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে জরুরি বৈঠক
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশের পাম্পগুলো থেকে জ্বালানি তেল কেনার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করেছে সরকার। শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুরে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, দিনে একটি মোটরসাইকেল ২ লিটার