মক্কা প্যাক্ট এখন বার্নিং ইস্যু হিসেবে সারা বিশ্বের পর্যবেক্ষণে রয়েছে। হঠাৎ তিনটি দেশ একটি সামরিক জোটে এক হলো কেন এ নিয়ে চলছে আলোচনা ও সমালোচনা। এর পরিস্ফুটন ঘটার আগেই বাংলাদেশ কেন এতে যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করলো তা নিয়ে বুদ্ধিজীবী
পররাষ্ট্রনীতিতে দৃঢ় অবস্থান নেওয়া এবং আবেগতাড়িত বক্তব্য দেওয়ার মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। একজন রাজনীতিক তাঁর অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে পারেন, একজন কূটনীতিক কঠোর ভাষায় জাতীয় স্বার্থের কথা বলতে পারেন, এমনকি একজন মন্ত্রীও কোনো বিষয়ে আপসহীন থাকতে পারেন। কিন্তু রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ
ব্যক্তি স্বার্থের চেয়ে দেশের স্বার্থ অনেক বড়। দায়িত্বে থাকা কিছু ব্যক্তি হিংসা ও লোভের কারণে দেশ ও জনগণের ব্যাপক ক্ষতি করে ফেলেন। এমনই এক ঘটনার শিকার হয়েছে একটি স্টিল মিলস। খবরে জানা গেছে, রোষানলে পড়ে একটি স্টিল মিলস উৎপাদনে যাওয়ার
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) সভাপতিত্বে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার ও পরিকল্পনা জানতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খালিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। রোববার (২৩ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এই বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে হাইকমিশনার বাংলাদেশের আসন্ন ইউএনজিএ’র সভাপতিত্বের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকে
‘সংসার আর ভালো লাগে না। বিদ্যুৎ নেই, চুলায় গ্যাস নেই, ওয়াসার লাইনে পানি নেই। এত যন্ত্রণা আর সহ্য হয় না, মন চায় সবকিছু ছেড়ে দূরে কোথাও পালিয়ে যাই।’ রাজধানীর আজিমপুরের বাসিন্দা আজহারুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা হোসেন গত রোববার দুপুরে মোবাইলফোনে
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, আমরা বিশ্বাস করি, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়ার সরকার যেভাবে রোহিঙ্গা সংকটের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছিল, সেই পথ সুগম হবে। সেই পথ ধরেই আমরা এগিয়ে যাবো। আমি প্রত্যাশা করি, রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার নিশ্চিত হোক
বিদেশি নাগরিককে বিয়ে করে নতুন জীবনের আশায় চীনে পাড়ি দেওয়া—কাগজে-কলমে এটি একটি বৈধ পারিবারিক অভিবাসন প্রক্রিয়া। কিন্তু এই বৈধ পথটিই যদি প্রতারণা, জবরদস্তি কিংবা নারী পাচারের কাজে ব্যবহার করা হয়, তাহলে বিষয়টি আর ব্যক্তিগত বিয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; এটি
সরকারের ছয় মাসের পথচলায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির সামনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাগুলোর একটি হয়ে উঠেছে প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক। পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতায় বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, আঞ্চলিক যোগাযোগ এবং কূটনৈতিক ভারসাম্য—সবকিছুর সঙ্গেই ভারত সম্পর্কিত। ফলে আবেগ বা রাজনৈতিক অবস্থানের চেয়ে বাস্তবতা
বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায় প্রথমবারের মতো বড় ধরনের রদবদল হতে যাচ্ছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে চারজন পূর্ণমন্ত্রী ও দুজন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেওয়ার পর এখন আলোচনার কেন্দ্রে—কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, নতুন দায়িত্ব বণ্টনে মির্জা ফখরুল
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের দাবি বাংলাদেশের জন্য নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও আইনগত বিষয়। এ বিষয়ে ঢাকার পক্ষ থেকে নয়াদিল্লির কাছে আনুষ্ঠানিক অনুরোধও জানানো হয়েছে। ভারত বিষয়টি তাদের নিজস্ব আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছে। ফলে বিষয়টি এখন দুই দেশের