ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য পছন্দ করছে না অন্তর্বর্তী সরকার। এই বার্তা পৌঁছে দিতে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রিকে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ। সোমবার (৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র সচিব
সোমবার ঢাকা সফরে আসছেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি। দু’দেশের মধ্যে চলমান সাম্প্রতিক অস্থিরতায় তার এ সফর বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। এই সফর ঘিরে ঢাকা-দিল্লির সম্পর্কের বরফ গলতে পারে। এমন ইঙ্গিত মিলছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলমের কথায়ও। প্রেস সেক্রেটারি
বাজারে যথেষ্ট সয়াবিন তেল আছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। রোববার (৮ ডিসেম্বর) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। এ সময় প্রধান উপদেষ্টার উপ প্রেস সচিব আবুল কালাম
এবার ভারতীয়দের জন্য ভিসা সীমিত করেছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার গোপন এক দাপ্তরিক চিঠির মাধ্যমে কলকাতা ডেপুটি হাইকমিশনকে ভারতীয়দের ঢালাওভাবে ভিসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে এখনো কিছুই জানানো হয়নি। আজ (শুক্রবার) থেকে সেই নির্দেশ
গণঅভ্যুত্থানে যেসব পুলিশ সদস্য কোনো অন্যায় করেনি তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক আয়োজিত কল্যাণ সভায় প্রধান অতিথির
ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে হামলা ও পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার উপ-হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হচ্ছে ওই দুই মিশনের প্রধানকে। বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) কলকাতার মিশনপ্রধান দেশে ফিরেছেন। ত্রিপুরার সহকারী হাইকমিশনারেরও ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে। জানা যায়,
ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় আমরা এখনো সজাগ আছি, ঐক্যবদ্ধ আছি বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, ‘৫ আগস্টের আগ পর্যন্ত যে উত্তেজনা এবং শক্তি নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা শত্রুর মোকাবিলা করেছি; আমাদের ছাত্র-জনতা বুক পেতে দিয়েছে, জীবন
আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেছেন, বাংলাদেশ বিরোধী বিভিন্ন তৎপরতা চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে ভারতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে হামলা, দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় হস্তক্ষেপ, বাংলাদেশ বিরোধী প্রচারণার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। ভারতের এসব প্রচারণার বিরুদ্ধে আরও শক্তিশালী এবং বেগবানভাবে মোকাবিলার কথা বলা
সম্প্রতি বাংলাদেশের সংখ্যালঘু ইস্যুতে কয়েকজন ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্য এবং অল পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের বিবৃতির প্রতিবাদ জানিয়েছে সরকার। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুককে ঢেকে এ ধরনের অপপ্রচার বিরুদ্ধে সহযোগিতা চেয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। পররাষ্ট্র
আগরতলায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে হামলার দায় ভারত সরকার কোনোভাবেই এড়াতে পারে না বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, একটা দেশের হাইকমিশনে এভাবে আক্রমণ কোনো সভ্য রাষ্ট্রের আচরণ হতে পারে না। আমরা বলব এই ঘটনায় ভারত সরকার কোনোভাবেই