


কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী বাজারে অসুস্থ গরু জবাই করে মাংস বিক্রি করার সময় মাংসসহ কসাইকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। সোমবার ভূরুঙ্গামারী বাজারের মাংস পট্টিতে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ভূরুঙ্গামারী বাজারের কসাই শাহিনুর আলম অসুস্থ একটি গরু জবাই করে। ওই গরুটির চামড়া ও মাংসে লাম্পী রোগের ক্ষত দেখতে পাই আমরা।
পরে বিষয়টি ভূরুঙ্গামারী হাসপাতালের সেনিটারী ইন্সপেক্টর আবু বক্কর সিদ্দিককে জানানো হয়। খবর পেয়ে সেনেটারী ইন্সপেক্টর আবু বকর সিদ্দিক উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের মাঠকর্মী নুর মোহাম্মদকে সাথে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পান। এসময় ওই কসাই পশু জবাইয়ের ছাড়পত্র দেখাতে পারেনি। পরে রোগাক্রান্ত গরুর মাংস জব্দ করে সেগুলো পুঁতে ফেলা হয়।
স্থানীয় জমির আলী, মহিবুল ইসলামসহ আরও অনেকে অভিযোগ করেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নজরদারী না থাকায় উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে হরহামেশাই মৃত ও রোগাক্রান্ত পশু জবাই করে বিক্রি করা হচ্ছে সেনিটারী ইন্সপেক্টর আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গরুর মাংস জব্দ করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার কুড়িগ্রামে মিটিংয়ে থাকায় কসাইয়ের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি। তবে মুচলেকা নেয়া হয়েছে এবং মাংসগুলো মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়েছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. হোসনে আরা খাতুন জানান, জনবল সংকটের কারণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা সম্ভব হয়না। তবে রোগাক্রান্ত পশু জবাই বন্ধে এখন থেকে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। তিনি আরও জানান, রোগাক্রান্ত পশুর মাংস খেলে মানুষের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পাওয়াসহ বিভিন্ন মারাত্মক রোগ হতে পারে।