1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
ফুলবাড়ীর বারোমাসিয়া নদীর তীরে বিলুপ্তপ্রায় শামুকখোল | দৈনিক সকালের বাণী
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন

পাখি ফেরায় প্রকৃতিপ্রেমীদের মাঝে নতুন উচ্ছ্বাস: ফুলবাড়ীর বারোমাসিয়া নদীর তীরে বিলুপ্তপ্রায় শামুকখোল

ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬
  • ২৫ জন দেখেছেন

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম ফুলমতি এলাকার বারোমাসিয়া নদীর তীরে বিকেলের শান্ত পরিবেশে আপন মনে খাবার সংগ্রহ করতে দেখা গেছে বিলুপ্তপ্রায় শামুকখোল পাখিকে। দীর্ঘদিন পর এ পাখির দেখা মেলায় স্থানীয় প্রকৃতিপ্রেমী ও পাখিপ্রেমীদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। পাখিটি নদীর তীর ঘেঁষে ধীরগতিতে হেঁটে বিভিন্ন জলজ প্রাণী ও শামুক সংগ্রহ করে খাবার খাচ্ছিল।

এ সময় প্রতিবেদকের সঙ্গে থাকা স্থানীয় কলেজশিক্ষার্থী অসীম কুমার রায় পাখিটিকে দেখতে পেয়ে উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে বলেন, ভাই, ওই দেখেন, একটা পাখি খাবার সংগ্রহ করছে। তার কথা শুনেই দ্রুত পাখিটির ছবি ধারণ করা হয়। স্থানীয় যুবক অসীম কুমার রায়, আজিমুল ইসলাম ও আমিনুল ইসলাম সহ অনেকেই জানান, একসময় ফুলবাড়ী উপজেলার নদী-নালা, খাল-বিল ও জলাভূমিতে শামুকখোলসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় পাখির বিচরণ ছিল চোখে পড়ার মতো।

কিন্তু পরিবেশগত পরিবর্তন, জলাভূমি সংকুচিত হওয়া, খাদ্য সংকট এবং মানবসৃষ্ট নানা কারণে এসব পাখির সংখ্যা ক্রমেই কমে গেছে। ফলে আগের মতো আর দেখা মেলে না শামুকখোল পাখির। তবে মাঝে মধ্যে শামকখোলসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখির সমারোহ দেখতে পাই। সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিম ফুলমতি এলাকার বারোমাসিয়া নদীর তীরে একটি শামুকখোল পাখিটি খাবার খোঁজার সময় লক্ষ্য করা গেছে।

কৃষি ও প্রকৃতিবিদ ও জেষ্ঠ্য সাংবাদিক সিদ্দিকুর রহমান শাহিন জানান, শামুকখোল সাধারণত জলাভূমি নির্ভর পাখি। এ সব পাখির প্রধান খাদ্য শামুক ও অন্যান্য ছোট জলজ প্রাণী। পরিবেশ অনুকূল থাকলে এসব পাখি আবারও জলাভূমি এলাকায় ফিরে আসতে পারে। সেই সাথে নদী, খাল-বিল ও প্রাকৃতিক আবাসস্থল সংরক্ষণে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

পাখি প্রেমী ও কবি সাহিত্যিক আব্দুল হানিফ সরকার জানান, দীর্ঘদিন পর বারোমাসিয়া নদীর তীরে শামুকখোলের উপস্থিতি স্থানীয় জীববৈচিত্র্যের জন্য ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখছি। আপনিসহ আমাদের সবার প্রত্যাশা, পরিবেশ ও জলাভূমি রক্ষা করা গেলে হারিয়ে যেতে বসা আরও অনেক দেশীয় পাখির দেখা আরও বেশি বেশি করে মিলবে এ অঞ্চলে বলে আমার বিশ্বাস।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )