ফলে নদীর তীরবর্তী মানুষের মধ্যে বন্যা নিয়ে বাড়ছে বড় ধরণের উদ্বেগ। কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে ধরলার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীসার সামান্য নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্লাবিত হয়ে পড়েছে নদ-নদী অববাহিকার চরাঞ্চলসহ নিম্নাঞ্চল। এতে আমনসহ বিভিন্ন ফসল ক্ষেত তলিয়ে যাচ্ছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, পানি বাড়ার গতি দেখে তারা অনেকেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
স্থানীয়রা জানায়, পানি আরও বৃদ্ধি পেলে পানিতে তলিয়ে থাকা ধানসহ অন্য ফসলের ক্ষতি হবে। আর দ্রুত পানি নেমে গেলেও ক্ষতিগ্রস্ত হবেন তারা।
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মতে উজানে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে আগামী দুই দিন পানি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানায় পানি উন্নয়ন বোর্ড।
উপজেলা সোনাইকাজী এলাকার আশরাফুল ইসলাম জানান, ধরলার পানি কখন বাড়ে কখন কমে কিছুই বুঝি না। পানি বাড়ার ফলে তার প্রায় দুই বিঘার জমির আমন ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে।
একই এলাকার কৃষক আব্দুল হোসেন বলেন, গত সোমবার সকাল থেকে ধরলার পানি হঠাৎ করে বাড়তে শুরু করেছে। উজান থেকে পানি নেমে আসছে নিরবচ্ছিন্নভাবে। যদি এমনভাবে বাড়তেই থাকে, তাহলে বন্যা ঠেকানো কঠিন হবে। হঠাৎ করে প্লাবন হলে আমাদের মতো নদীর পাড়ে থাকা মানুষজন বিপদে পড়ে যাব।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, আগামী দুইদিন ধরলা, তিস্তা ও দুধকুমার নদীর পানি সমতল হারে বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে জেলার নদ-নদীগুলোর নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে।