1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
বিত্তবানদের পাশে চায় অদম্য মেধাবী রেহানা | দৈনিক সকালের বাণী
রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন

ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন সত্যি করতে: বিত্তবানদের পাশে চায় অদম্য মেধাবী রেহানা

গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২৫৬ জন দেখেছেন

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার আলমবিদিতর ইউনিয়নের পাইকান চওড়াপাড়া এলাকার রিকশাচালক রশিদুল ইসলামের মেয়ে মেধাবী শিক্ষার্থী রেহেনা আক্তার সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেলেও অর্থাভাবে অনিশ্চয়তায় পড়েছে তার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন ।

চলতি শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলে রেহেনা আক্তার জাতীয় মেধাতালিকায় ৪১১তম স্থান অর্জন করে রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ, ঢাকা-তে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষায় তার মোট প্রাপ্ত নম্বর ১৮৩.৭৫ (লিখিত পরীক্ষায় ৮৩.৭৫)। নদীভাঙনের কড়ালগ্রাসে একসময় সবকিছু হারিয়ে পরিবারটি গঙ্গাচড়া উপজেলার পাইকান চওড়াপাড়ায় নতুন করে বসতি গড়ে তোলে। জীবিকার তাগিদে রেহানার বাবা মো. রশিদুল ইসলাম ঢাকায় রিকশা চালিয়ে কোনো রকমে সংসার চালান।

তার স্ত্রী মোছা. সুইটি আক্তার অন্যের বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করে সংসারের খরচ জোগান। চরম দারিদ্র্য, অনিশ্চয়তা ও সীমাহীন ত্যাগের মধ্য দিয়েই মেয়েকে পড়াশোনা করিয়েছেন অদম্য স্বপ্ন নিয়ে। সেই স্বপ্নকে সত্যি করতে অদম্য রেহানাও কঠিন সংগ্রামের পথেই হেটেছে।যার ফলশ্রুতিতে রেহেনা আক্তার দেশের অন্যতম সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে, যা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে এই সাফল্যের আনন্দ কতটা সার্থক হবে সেটা কিছুটা অনিশ্চিত হয়ে দারিদ্রতার কষাঘাতে। অর্থাভাবে রেহানার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নে এখন বড়ো বড়ো।

মেডিকেলে ভর্তি ফি, আবাসন, বইপত্র ও আনুষঙ্গিক খরচ বহন করার মতো আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় মেয়েকে ডাক্তার বানানোর স্বপ্নটা অনিশ্চয়তায় দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ফলে কীভাবে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে রেহানার পরিবারের। রেহেনার বাবা মো. রশিদুল ইসলাম বলেন, মেয়েকে ডাক্তার বানানোর স্বপ্ন দেখেই এত কষ্ট সহ্য করেছি। সে আজ মেডিকেলে চান্স পেয়েছে সত্যি, কিন্তু অর্থের অভাবে ভর্তি করাতে পারছি না-এটাই সবচেয়ে বড়ো কষ্ট। রেহেনা আক্তার জানায়, আমি ডাক্তার হয়ে হয়ে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের সেবা করতে চাই ।

দারিদ্র্যতার বাস্তবতা আমি দেখেছি। আমার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সমাজের বিত্তবান ও সহানুভূতিশীল মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।আজ আমার পাশে কেউ দাঁড়াবে, ভবিষ্যতে আমিও যেন, অন্যের পাশে দাঁড়াতে পারি। স্থানীয় শিক্ষিত ও সচেতন মহল বলছেন, অদম্য মেধাবী ও সংগ্রামী এই শিক্ষার্থীর পাশে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি সমাজের সচেতন ও বিত্তবানদের এগিয়ে আসা উচিত।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )