শনিবার বিকেলে নীলফামারী প্রেসক্লাবের মুক্তাঙ্গণে এই স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাব সভাপতি এবিএম মঞ্জুরুল আলম সিয়াম। প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম বক্তব্য দেন।
আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে নীলফামারী-০২ আসনে জামায়াত প্রার্থী এ্যাডভোকেট আল ফারুক আব্দুল লতিফ ও নীলসাগর গ্রুপের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আহসান হাবীব লেলিন বক্তব্য দেন।
অন্যান্যের মধ্যে নীলফামারী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি তাহমিন হক ববি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসান রাব্বী প্রধান, বাংলাভিশনের রংপুর ব্যুরো প্রধান আনজারুল ইসলাম জুয়েল বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নীলফামারী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নুর আলম।
সভায় প্রয়াত সাংবাদিক ফজলুর রহমান, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, তোফাজ্জল হোসেন, মোশাররফ হোসেন, মমতাজ উদ্দিন, ফিরোজ আহমেদ স্বপন, ওয়াহেদুজ্জামান নান্না, নুরুল ইসলাম, মোজাহিদ বিন খয়রাত, সাইফুল্লাহ মুন্না, রতন সরকার পরিবারকে সম্মাননা এবং জীবিত দুই সাংবাদিক দৈনিক ভোরের কাগজের প্রতিনিধি শামসুল ইসলাম ও দৈনিক সংগ্রামের প্রতিনিধি মুহা. মুখলিসুর রহমানকে সংবর্ধণা প্রদান করা হয়।
নীলফামারী প্রেসক্লাবের এমন আয়োজনকে স্বাগত জানিয়ে প্রয়াত ফিরোজ আহমেদের সহধর্মীনি হোসনে আরা জোসনা বলেন, আমি অভিভুত এই উদ্যোগ নেয়ার জন্য। অতীতে কখোনো এটা করা হয়নি। বর্তমান কমিটিকে আমি ধন্যবাদ জানাই তাকে মুল্যায়ন করার জন্য।
এরআগেও ঈদে শুভেচ্ছা উপহার পাঠানো হয়েছিলো।
প্রয়াত তোফাজ্জল হোসেনের সন্তান বাংলাভিশন রংপুর ব্যুরো প্রধান আনজারুল ইসলাম জুয়েল বলেন, যেভাবে আমার বাবাকে স্মরণ করা হয়েছে এজন্য আমি ধন্য। যার যেখানে অবদান রয়েছে তাকে সম্মানিত করা উচিত, তাহলে মানুষ অনুপ্রানিত হবে এবং এই ধারা অব্যাহত থাকবে।
সম্মাননা পাওয়া সাংবাদিক শামসুল ইসলাম বলেন, বর্তমান কমিটির কাছে আমি কৃতজ্ঞ। আমাকে মুল্যায়ন করার জন্য। এটি ইতিহাস হয়ে থাকবে।
পরে ১৩পরিবারের কাছে সম্মাননা ও উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়।