1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
খাওয়ানোর সময় শিশুর গলায় খাবার আটকে গেলে কী করবেন? | দৈনিক সকালের বাণী
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ১২:৩১ অপরাহ্ন

খাওয়ানোর সময় শিশুর গলায় খাবার আটকে গেলে কী করবেন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৪৩ জন দেখেছেন

শিশুর গলায় কিছু আটকে গেলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন মা-বাবারা। অনেকসময় গলায় আঙুল ঢুকিয়ে খাবার বের করার চেষ্টা করেন। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। আবার সদ্যজাত শিশুকে কোলে শুইয়ে চামচ দিয়ে দুধ খাওয়ানোর সময় বেকায়দায় তাদের নাকে দুধ ঢুকে যেতে পারে কিংবা গলায় আটকে যেতে পারে। এতেও চরম বিপদ হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হয়ে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। কী করবেন শিশুর গলায় খাবার আটকে গেলে?

গলায় খাবার আটকে যাওয়ার সমস্যা সবচেয়ে বেশি দেখা যায় পাঁচ বছরের নিচে শিশুদের। তাড়াহুড়ো করে খাবার খেতে গিয়ে কিংবা খাওয়ার সময় কথা বলতে গিয়ে দম আটকে খুব কষ্টকর পরিস্থিতির শিকার হতে হয়। খাবার শুকনো ও শক্ত হলে গলায় আটকে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।

তাই শিশুকে ছোট ছোট গ্রাসে খাবার খাওয়াতে হবে। শিশুরোগ চিকিৎসকের মতে, চোকিং বা শ্বাসনালিতে তরল খাবার আটকে গেলে শ্বাস নেওয়ার সমস্যা হয়। খুব ছোট শিশু দুধ বা তরল খাবার খেতে গিয়ে দম আটকে গেলে তাকে মাথা কিছুটা নিচু করে উপুড় করে শুইয়ে পিঠে চাপড় মারলে শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক হবে। কিন্তু শিশু যদি খুব কাশতে থাকে এবং শ্বাসকষ্ট শুরু হয়, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে।
আপৎকালীন পরিস্থিতিতে কী কী করবেন?

১. ব্যাক ব্লো
এটি খুব কার্যকরী পদ্ধতি। এজন্য শিশুকে উপুড় করে শুইয়ে দিন। ১ বছর বা তার কম বয়স হলে আপনার হাতের উপরেই উপুড় করে শুইয়ে দিন। মাথা যেন নীচে থাকে। এ বার হাত দিয়ে শিশুর দুই কাঁধের মাঝখানে ৫ বার হালকা কিন্তু জোরালো চাপ দিন।

২. চেস্ট থ্রাস্ট
এটি আরও একটি পদ্ধতি। যদি উপুড় করে শুইয়ে খাবার বের না হয়, তাহলে সাবধানে শিশুকে চিত করে শুইয়ে দিন। আপনার দুই আঙুল শিশুর বুকের মাঝখানে রেখে ৫ বার আলতো চাপ দিন। যতক্ষণ না আটকে থাকা খাবারটি বের হচ্ছে, এই প্রক্রিয়া ধীরে ধীরে চালিয়ে যান।

৩. হেইমলিচ ম্যানিউভার
শিশুর বয়স যদি ১ বছরের বেশি হয়, তাহলে আরও একটি পদ্ধতি আছে। শিশুর পেছনে হাঁটু মুড়ে বসুন। দুই হাত দিয়ে শিশুর পাঁজরের নিচে ও নাভির ঠিক উপরে চেপে ধরুন। এবার ভেতরের ও ওপরের দিকে জোরালো ভাবে চাপ দিন। এটি খুবই কার্যকরী পদ্ধতি। একে হেইমলিচ ম্যানিউভার বলা হয়।
ইউটিউব বা ইন্টারনেটে খুঁজলে এমন ভিডিও পাওয়া যায়। যা থেকে সহজেই শিখে নিতে পারেন এই পদ্ধতি। তবে না পারলে চেষ্টা করবেন না। অতি দ্রুত শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে যাবেন।
৪. কাশি দিতে বলুন
শিশু যদি কাশতে পারে, তাহলে তাকে জোরে কাশতে বলুন। কাশির মাধ্যমে অনেক সময় আটকে থাকা খাবার বেরিয়ে আসে।

কী কী করবেন না?
শিশুর গলায় আঙুল ঢুকিয়ে খাবার বার করার চেষ্টা করবেন না। এতে খাবারটি আরও গভীরে চলে গিয়ে শ্বাসনালি পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে পারে।
শিশু সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় তার পিঠে জোরে চাপড় মারবেন না। এতে খাবার আরও নিচে নেমে যাবে।
খাবার আটকে থাকা অবস্থায় কখনওই পানি খাওয়ানোর চেষ্টা করবেন না। এতে পানি ফুসফুসে ঢুকে গিয়ে মারাত্মক বিপদ হতে পারে।

শিশুকে সব সময়ে বসিয়ে খাওয়ানোর চেষ্টা করুন। শোয়া অবস্থায় বা দৌড়োদৌড়ি করার সময়ে খাবার মুখে দেবেন না।
বাদাম, আঙুর, পপকর্ন বা শক্ত লজেন্স খাওয়ার সময় নজর রাখুন।
শিশু যদি নিজের হাতে খেতে পারে তা হলে ছোট চামচ দিন, যাতে অল্প খাবার মুখে তুলতে পারে। ছোটরা নিজে হাতে খেতে শিখলেও একজন অভিভাবকের পাশে বসে নজর রাখা জরুরি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )