


ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈল উপজেলার অনেক দপ্তর সকাল ৯টার পরেও তালাবদ্ধ অবস্থায় পাওয়া গেছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যথাসময়ে অফিসে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব (প্রশাসন) কামরুল হাসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। এসব নির্দেশ অমান্য কওে রাণীশংকৈল উপজেলায় অনেক দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীরা যথাসময়ে উপস্থিত হচ্ছেন না।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার পরে পৌর শহরের হ্যালিপেড সংলগ্ন নন্দুয়ার-হোসেনগাঁও ইউনিয়ন ভুমি অফিসে গিয়ে দেখা যায় অফিসটি তালাবন্ধ তথন ঘড়িতে সময় ৯টা২২ মিনিট। একইভাবে উপজেলা ভুমি অফিসে গিয়ে দেখা যায় উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি মুজিবুর রহমানের অফিস কক্ষ তালা খোলা থাকলেও তিনি উপস্থিত নেয় তার সরকারী ফোন নম্বরটাও বন্ধ।
একইভাবে উপজেলা ভুমি অফিসের সার্ভেয়ার আবুল কালাম আজাদের কক্ষটিও তালাবন্ধ। তিনাকে উপজেলার পুকুর পাড়ে অপ্রস্তুত অবস্থায় (লুঙ্গি পড়া) রৌদ পোহাতে দেখা যায়। উপজেলা সহকারী পল্লী উন্নয়ন কার্যালয় ও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, উপজেলা আনসার ভিডিপি উন্নয়ন কর্মকর্তার কাযালয়। এছাড়াও উপজেলা হিসাবরক্ষন অফিসের কর্মকর্তার কক্ষটিও তালাবন্ধ পাওয়া যায়। সকাল সাড়ে ৯টা বেজে গেলেও এসব কার্যালয় খোলার কোন দৃশ্য দেখা মেলেনি।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা আবু হেনা মোস্তফা কামাল মুঠোফোনে বলেন, তিনি ছুটিতে আছেন, তবে অফিসতো যথাসময়ে খোলার কথা। বিষয়টি দেখছি। এদিকে এ বিষয়ে কথা বলতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গেলে সেখানে তিনার অফিস কক্ষ খোলা থাকলেও তিনি নেয়। তার অফিসের একজন কর্মচারী বলেন, স্যার অসেনি তবে আসবেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ খাদিজা বেগমের মুঠোফোনে ফোন দিলে তিনি বলেন, যারা কার্যালয় যথাসময়ে খোলেনি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।