1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
ড্রোন হামলার পর ‘রাস তানুরা’ শোধনাগার বন্ধ করল সৌদি আরামকো | দৈনিক সকালের বাণী
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন

ড্রোন হামলার পর ‘রাস তানুরা’ শোধনাগার বন্ধ করল সৌদি আরামকো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬
  • ৮১ জন দেখেছেন

সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি কোম্পানি ‘সৌদি আরামকো’ ড্রোন হামলার পর দেশটির গুরুত্বপূর্ণ রাস তানুরা তেল শোধনাগারের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। হামলার জেরে সেখানে আগুন ধরে গেলে উৎপাদন ও লোডিং কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। প্রতিদিন প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল তেল প্রক্রিয়াজাত করা এই স্থাপনাটি আরামকোর অন্যতম প্রধান শোধনাগার।

ব্লুমবার্গ ও রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ইরানের পক্ষ থেকে উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর বিরুদ্ধে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় ওই হামলার ঘটনা ঘটে। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি আরামকো।
রাস তানুরা উপসাগরীয় উপকূলে অবস্থিত এবং এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল রপ্তানি টার্মিনাল। এখান থেকে ইউরোপ ও এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ বাজারে—বিশেষ করে চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায়—বিপুল পরিমাণ সৌদি অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করা হয়। এই টার্মিনাল ও শোধনাগার মিলেই সৌদি আরবের মোট তেল রপ্তানির একটি বড় অংশ পরিচালিত হয়।

হামলার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যায়। বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত অপরিশোধিত তেলের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহৃত ‘ব্র্যান্ট ক্রুড’ ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৮০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছে যায়।
রাস তানুরা শোধনাগার ও রপ্তানি টার্মিনালে সৌদি আরবের বৃহত্তম তেলক্ষেত্রগুলোর তেল প্রক্রিয়াজাত ও রপ্তানি করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ‘ঘাওয়ার’—যা বিশ্বের বৃহত্তম তেলক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত। এ ছাড়া ‘আবকাইক’ ও ‘খুরাইস’ ক্ষেত্র থেকেও এখানে তেল সরবরাহ করা হয়। ২০১৯ সালে ওই দুই স্থাপনায় হামলার ফলে সাময়িকভাবে সৌদি আরবের তেল উৎপাদন অর্ধেকে নেমে আসে এবং ১৯৯০ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধের পর তেলের দামে সবচেয়ে বড় উল্লম্ফন দেখা যায়।

বিশ্লেষকদের মতে, রাস তানুরায় এই হামলা উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর ইরানের প্রথম সরাসরি আঘাত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে বিপুলসংখ্যক শোধনাগার, পাইপলাইন ও তেল-গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র অবস্থিত, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর আগে গত সপ্তাহে জুয়াইমাহ তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) স্থাপনাতেও কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটেছিল, যা রপ্তানিতে প্রভাব ফেলে। ওই টার্মিনালটি জাফুরাহ গ্যাসক্ষেত্র ও রাস তানুরা শোধনাগারের কাছে অবস্থিত এবং এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রাকৃতিক গ্যাস তরল রপ্তানিকারক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )