কুড়িগ্রাম সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালে সোনাহাট বেইলি ( রেল) সেতুর কিছুটা ভাটিতে দুধকুমার নদের ওপর ৬৪৫ দশমিক শূন্য ১৫ মিটার দীর্ঘ নতুন একটি সেতুর নির্মাণকাজ শুরু করে সওজ। এমএম বিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড এবং ন্যাশনাল ডেভলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড যৌথভাবে নির্মাণকাজ করছে।
১৩৬ কোটি ৩৩ লাখ টাকার চুক্তিতে শুরু হওয়া সেতু ও সংযোগ সড়ক নির্মাণকাজ ২০২১ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ৪ দফায় সময় ও ব্যয় বাড়িয়ে ৭ বছরেও সেতুর কাজ শেষ করতে পারেনি ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দুটি। এ অবস্থায় পুরোনো ও জরাজীর্ণ বেইলি সেতু দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। এতে দেশের ১৮তম সোনাহাট স্থলবন্দর হতে পণ্য আমদানি-রপ্তানি এবং নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা থানাসহ ৬টি ইউনিয়নের কয়েক লাখ মানুষকে যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
আগামী জুন/২৬ মাসে কাজ শেষ করে সেতুটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে সড়ক ও জনপদ বিভাগ। কিন্তু কাজের ধীর গতির কারণে আগামী জুন মাসেও সেতুটি চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া সম্ভব নয় বলে ধারনা করছেন স্হানীয়রা।
তাই সোনাহাট সেতুর কাজের অগ্রগতি দেখতে সরেজমিনে পরিদর্শনে আসেন নব নির্বাচীত সংসদ সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম। সেতুর কাজ পরিদর্শন শেষে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই তথা আগামী জুন মাসে সেতুর কাজ শেষ করার নির্দেশ প্রদান করেন তিনি।
এবিষয়ে উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মেহেদী হাসান সরকার বলেন, সেতুর কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। ভূরুঙ্গামারী প্রান্তে সেতুর এপ্রোজ রোড় তৈরি হয়েছে। আর পূর্ব প্রান্তে জমি অধিগ্রহণ নিয়ে সড়ক বিভাগ ও রেলের মধ্যে আলোচনা চলমান আছে। আগামী জুনের মধ্যে সেতুর কাজ শেষ হবে বলে আশা করছি।