1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
ফ্যাটি লিভার হয়েছে কি না বুঝবেন যেভাবে | দৈনিক সকালের বাণী
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন

ফ্যাটি লিভার হয়েছে কি না বুঝবেন যেভাবে

লাইফস্টাইল ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
  • ১৬ জন দেখেছেন

ফ্যাটি লিভার। বর্তমানে আলোচনার হট টপিক। যকৃত সংক্রান্ত রোগ। অনেকে ভাবেন মোটা হলে কিংবা মদ খেলে এই রোগ হয়। যা আংশিক সত্য। রোগটি সম্পর্কে সচেতন হওয়া জরুরি। ফ্যাটি লিভারকে ডাক্তারি ভাষায় ‘হেপাটিক স্টেটোসিস’ বলা হয়। যকৃতে চর্বি জমলে তাকে ফ্যাটি লিভার বলে।

লিভারে অল্প পরিমাণ চর্বি থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু অতিরিক্ত চর্বি জমলে তা বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য জটিলতার কারণ হতে পারে। ফ্যাটি লিভার কেন হয়, এর লক্ষণ কী? ফ্যাটি লিভার থেকে বাঁচার উপায়ই বা কী? চলুন জেনে নিই-

ফ্যাটি লিভার সাধারণত ২ ধরনের হয়ে থাকে। একটি অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার এবং আরেকটি নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার। যাদের নিয়মিত অ্যালকোহল পান করার করার অভ্যাস আছে তাদের সাধারণত অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার হয়ে থাকে।
নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার হয় সাধারণত অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ, অতিরিক্ত চিনি, কার্বোহাইড্রেট, প্রসেসড ফুড, মুখরোচক খাবার বা অতিরিক্ত মসলাদার খাবার গ্রহণের ফলে।

আমাদের দেশের মানুষের নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার হওয়ার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। প্রাথমিক পর্যায়ে বেশিরভাগ মানুষ রোগটি বুঝতে পারেন না। ফ্যাটি লিভার থেকে প্রথমে হেপাটাইটিস বা লিভারের প্রদাহ হয়। এরপর তা লিভার সিরোসিসের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে। শুরুতেই ফ্যাটি লিভারের লক্ষণগুলো জানতে পারলে অনেক গুরুতর সমস্যা থেকে বাঁচা যেতে পারে-

কাদের ফ্যাটি লিভার হওয়ার ঝুঁকি বেশি?
টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তি
মেনোপজ শুরু হয়েছে এমন নারী

স্থূলতা আছে যাদের
শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি এমন ব্যক্তি
দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ রক্তচাপে ভোগা ব্যক্তি
ফ্যাটি লিভারের লক্ষণ কী?

অনিয়ন্ত্রিত বা অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের ফলে লিভারের ওপর চাপ পড়ে। ফলে হজমে সমস্যা হয় ও খাবারে অরুচি দেখা দেয়।
খেতে গেলে বমি বমি ভাব
পেট ফুলে যাওয়া
শরীরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গও ফুলে যাওয়া
হঠাৎ করেই ওজন কমে যাওয়া

মাথাব্যথা, ডিপ্রেশন বা মন খারাপ এসবও হতে পারে
ফ্যাটি লিভার হলে যেমন খাদ্যাভ্যাস মেনে চলতে হবে
যারা অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত আছেন, তাদের প্রথমেই অ্যালকোহল গ্রহণ করা বন্ধ করতে হবে।

দুধ চা খাওয়ার অভ্যাস থাকলে বা কনডেন্সড মিল্ক দিয়ে তৈরি চা বা কফি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তা ছাড়তে হবে। ঘন দুধের তৈরি খাবার বা ফুলক্রিম মিল্ক খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিতে হবে।
খাদ্যতালিকায় অবশ্যই ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ খাবার রাখতে হবে। সেসঙ্গে খাদ্যতালিকায় অবশ্যই পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার রাখতে হবে।
বিভিন্ন রঙের শাকসবজি খেতে হবে। যেমন – বিটরুট, গাজর, মিষ্টি কুমড়া, শিম, বরবটি, ব্রকলি ইত্যাদি। এছাড়াও পাতে রাখতে হবে দেশি শাক।
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় একটি সেদ্ধ ডিম রাখতে পারেন। ডেইরি প্রোডাক্টের এর মধ্যে খেতে পারেন টক দই, নন ফ্যাট মিল্ক।
এছাড়াও খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন দেশীয় মৌসুমি বিভিন্ন ফল।
খাবার তৈরিতে তেলের ব্যবহার কমাতে হবে। অতিরিক্ত তৈলাক্ত ও মসলাজাতীয় খাবার কম খেতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )