


রংপুরের কাউনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্ত্বরে বিনা অনুমতিতে সরকারি গাছ কেটে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালে কর্মরত অফিস সহায়ক নুরুজামানের বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানাজানি হলে বিক্রিত গাছ ফেরত দেয়ার অস্বীকার করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেছেন অফিস সহায়ক নুরুজামান।
বুধবার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মেহেদি হাসান। তিনি জানান, ০৮ মে শনিবার কমপ্লেক্স চত্ত্বরের ভিতরে দেখতে পান কে বা কাহারা একটি মেহেগনি গাছ কেটে নিয়ে গেছে। খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মরত অফিস সহায়ক নুরুজামান সরকারি মেহগনি গাছটি কেটে গোপনে বিক্রি করে দিয়েছেন। পরে জিজ্ঞাসাবাদে নুরুজামান গাছ কেটে বিক্রি করে দেওয়ার কথা স্বীকারও করেন। ডা. মেহেদি হাসান বলেন, কমপ্লেক্স চত্ত্বরের সরকারি গাছ কাটার কোন অনুমতি ছিল না অফিস সহায়ক নুরুজামানের।
হয়তো ভুল বসত সরকারি গাছ কেটে বিক্রি করে দিয়েছিলো। বিক্রি করা সরকারি গাছ ১০ মে রবিবারের মধ্যে ফেরৎ দেওয়ার অঙ্গিকার করে বিভাগীয় শাস্তি থেকে বাঁচতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেন নুরুজামান। তবে আজ বুধবারও বিক্রি করা সরকারি গাছ ফেরত দেয়নি বলে জানতে পেরেছেন। তিনি বিষয়টি প্রধান কর্মকর্তাকে জাননো হবে।
তবে সরকারি গাছ গোপনে কেটে বিক্রি করে দেওয়ার বিষয়ে জানতে অফিস সহায়ক নুরুজামানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরে কথা বলবেন বরে জানান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসান হাবিব বলেন, বিনা অনুমতিতে সরকারি কোন গাছ কাটার সুযোগ নেই। গতকাল বুধবার তিনি ছুটিতে আছেন। বৃহস্পতিবার অফিসে গিয়ে তদন্ত কটিমি গঠন করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।