1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
ভারতে স্মরণীয় অভ্যর্থনা পাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান | দৈনিক সকালের বাণী
বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ন

ভারতে স্মরণীয় অভ্যর্থনা পাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৪ জন দেখেছেন
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে সেখানে সফরে গেলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সর্বোচ্চ সম্মান ও স্মরণীয় অভ্যর্থনা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

তিনি বলেন, ভারত সরকার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফরের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। এ সফরের সুফল শেষ পর্যন্ত দুই দেশের জনগণের কাছেই পৌঁছাবে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানের ওয়েস্টিন ঢাকা হোটেলে ভারতীয় হাইকমিশন আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে হাইকমিশনার এসব কথা বলেন। কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির (সিআইআই) এক উচ্চপর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সম্মানে এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, সিআইআইয়ের মহাপরিচালক চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জি এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন। দীনেশ ত্রিবেদী জানান, তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এবং তাকে একজন ‘চমৎকার নেতা’ হিসেবে উল্লেখ করেন। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নির্বাচনে জয়লাভ করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান তিনি।

ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রীই প্রথম তাকে অভিনন্দন এবং ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।’ এরপর ভারতের লোকসভার স্পিকার ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ সফর করেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারাও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে দীনেশ ত্রিবেদী জানান, তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি সরাসরি দিল্লি চলে যান এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে বৈঠকের বার্তা পৌঁছে দেন। তিনি বলেন, ‘এখানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর আমি সরাসরি দিল্লি গিয়ে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করি। তিনি আমাকে একটি বার্তা দিয়েছেন— দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে দ্রুত একটি বৈঠক হওয়া প্রয়োজন।’

 

হাইকমিশনার আবারও বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে গেলে তাকে সর্বোচ্চ সম্মানের সঙ্গে স্মরণীয় অভ্যর্থনা জানানো হবে। এ সফরের সুফল দুই দেশের জনগণের কাছে পৌঁছাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বিভিন্ন সমস্যা থাকার কথা স্বীকার করে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, এসব সমস্যা দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ককে দুর্বল করা উচিত নয়।

তিনি বলেন, ‘সবাই জানেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ রয়েছে এবং আমি যখন চাই তখনই তাকে ফোন করতে পারি। তিনি আমাকে এখানে কেন পাঠিয়েছেন? এর একমাত্র কারণ হলো— প্রতিবেশী হিসেবে আমাদের মধ্যে গভীর সম্মান, ভালোবাসা ও পারস্পরিক নির্ভরশীলতা।’

 

ভারতের ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছোটখাটো ভুল বোঝাবুঝি বা প্রতিবন্ধকতা থাকতে পারে। পরিবারের মধ্যেও এমন ঘটনা ঘটে। তাই বলে সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায় না।

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, ভারত বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার এবং গত কয়েক বছরে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

তবে তিনি বলেন, ‘আমাদের স্বীকার করতে হবে যে, এই বাণিজ্য এখনো কাঠামোগতভাবে ভারসাম্যহীন এবং এর প্রকৃত সম্ভাবনার তুলনায় অনেক কম।’

 

দক্ষিণ এশিয়ায় আন্তঃআঞ্চলিক বাণিজ্য তুলনামূলকভাবে কম উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, এ অঞ্চলের দেশগুলো নিজেদের মধ্যে বাণিজ্যের চেয়ে অনেক সময় অঞ্চলের বাইরের অংশীদারদের সঙ্গে বেশি বাণিজ্য করে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত সামগ্রিক অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব সম্প্রসারণ, বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং উভয় দেশের বাণিজ্য, ব্যবসা ও বিনিয়োগের জন্য আরও বেশি সুযোগ তৈরি করা।’

অবাধে পণ্য ও সেবা প্রবাহের পথে প্রতিবন্ধকতা হিসেবে অশুল্ক বাধা, মান ও পরীক্ষাসংক্রান্ত জটিলতা, প্রশাসনিক বিলম্ব এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করেন শামা ওবায়েদ।

 

সিআইআইয়ের মহাপরিচালক চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জি বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে আমরা যে উষ্ণতা পেয়েছি এবং শিল্প খাত যে আন্তরিকতা দেখিয়েছে, তা সত্যিই অসাধারণ।’ ভারতীয় হাইকমিশনারের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে আরও ব্যবসায়িক সুযোগ তৈরির মাধ্যমে এই সম্পর্কের উষ্ণতা ও সহযোগিতার ধারা বজায় রাখতে সিআইআই কাজ করবে।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক, বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী, ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স, বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও আহসান খান চৌধুরী প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )