ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার জানান, মৃত ছফর উদ্দিনের ছেলে আঃ রশিদ মিয়া অববসর প্রাপ্ত সেনা সদস্য(৭০) রাজারহাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন রাস্তার দক্ষিণ দিকে পাকা বাড়িতে ওয়াল দিয়ে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছে।
ঘটনার দিন মঙ্গলবার (৭জানুয়ারী) রাত আনুমানিক আড়াইটা থেকে ৩টার মধ্যে ৭/৮ জনের মুখোশধারী একদল চোর ওই বাড়ির ওয়াল টপকে উত্তর পশ্চিম রুমের দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে। এসময় তার স্ত্রী টের পেলে আঃ রশিদ মিয়াকে ডাকাডাকি করলে চোরেরা তাদের মুখ চেপে ধরে। পরে তাদেরকে গামছা দিয়ে হাত পা বেঁধে আলমারীর চাবি চান। চাবি পেয়ে তারা আলমারী ও ড্রেসিংয়ের ড্রয়ার খুলে মূল্যবান কাপড়-চোপড় ও জিনিসিপত্র বের করে।
আলমারীতে রাখা নগদ ৫লাখ ৪৫হাজার ৫শ টাকা এবং সাড়ে ৫ভরি স্বর্ণালংকার, ২টি এন্ডোয়েড ফোন ও মূল্যবান কয়েকটি শাড়ী কাপড় নিয়ে দ্রুত সটকে পড়ে সংঘবদ্ধ চোরের দল।
এ সময় চোর বাড়ির মালিক আ: রশিদ মিয়ার মাথায় ঘরে রাখা কুরআন মাজিদ দিয়ে বলেন, বিষয়টি যেন কাউকে না বলা হয় এবং জানাজানি করলে পরবর্তীতে মেরে ফেলারও হুমকী দেয়া হয় বলে ক্ষতিগ্রস্থ আ: রশিদ জানান।
ক্ষতিগ্রস্থ পরিবাটি আরও জানান, গতকাল সোমবার সকাল থেকে সারাদিন বাড়ির সবাই ঘুম পাচ্ছিল। আমিও তন্দ্রায় ছিলাম। সম্ভবত বাড়ির খাবারে কেউ কিছু দিয়েছিল।
আর সুযোগ বুঝে রাতে চুরি করে। ঘটনার দিন বাড়িতে বাড়ির মালিক ও তার স্ত্রী এবং তার ভাতিজি জান্নাতি বেগম ছাড়া কেউ ছিল না। চোরেরদল তার ভাতিজির গলার হারও ছিনিয়ে নিয়ে গেছে।
খবর পেয়ে রাজারহাট থানা পুলিশ ঘটননাস্থল পরিদর্শন করে সত্যতা পেয়েছেন। তবে তদন্তকারী থানার এসআই বাবুল বলেন, এটা চুরি। ডাকাতি হলে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করবে। মারধর করবে। এগুলোর কোনটিও নেই। এ ঘটনায় ভূক্তভোগীকে থানায় অভিযোগ দেয়ার কথা বলা হয়েছে।
রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ আশরাফুল ইসলাম জানান, পুলিশ তদন্ত করছে।লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।