
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার মোগলবাসা ইউনিয়নে ঘরের পাশে জোর পূর্বক বালু তুলে বিক্রি ও বাঁধা দিতে গেলে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা,মারপিট ও হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে বালু চক্রের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কুড়িগ্রাম সদর থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার।
অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, মোগলবাসা ইউনিয়নের কিশামত মালভাঙা গ্রামের বাচ্চু চন্দ্র দাশের ছেলে শ্রী হরিশ চন্দ্র দাস (ভুট্ট দাস) নিজ বসতবাড়ীর কোল ঘেঁষে বালু উত্তোলন করে আসছে বালু ব্যবসায়ী চক্র।ঘটনার দিন বালু লোড ও পরিবহন করার উদ্দেশ্য ঘরের কাছে গর্ত করতে থাকে।এতে বাঁধা দিলে একই এলাকার মোঃ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ (৪০), পিতা- মোঃ শামস্কুল হক, মোঃ জব্বার আলী (৪৫), পিতা- মৃত আজিজল হক, মোঃ বাবু মিয়া (১৯), পিতা- মোঃ জব্বার আলী, আব্দুল আউয়াল (২৬), পিতা- মোঃ তছর আলী, সাকিব মিয়া (২০), পিতা- তছর আলী, মশিউর মিয়া (১৯), পিতা- সৈয়দ আলী, সাকিল মিয়া (১৯), পিতা- রেজাউল ইসলামসহ আরো দু চারজন পরিকল্পনা করে ভুট্টু চন্দ্র দাশ ও তার বাড়িতে হামলা করে।এতে ভুট্টু চন্দ্র প্রানে বেচে গেলে দূর্বৃত্তরা অকথ্য গালিগালাজ ও প্রান নাশের হুমকি দেয়।পরে জীবন ও যান মালের নিরাপত্তা চেয়ে সদর থানায় অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ভুট্টু চন্দ্র দাশ।
ভুট্টু চন্দ্র দাশ বলেন,গতকাল শনিবার চক্রটি বালু লোড করতে থাকে এবং আমার বাড়ীর সীমানায় কোদাল দিয়ে গর্ত করতে থাকে আমি তাহা দেখতে পাইয়া আমার বাড়ী ঘর ভেঙ্গে পরার উপক্রম হওয়ায় আমি তাহাদেরকে নিষেধ করিলে ৪ থেকে ৭নং বিবাদী আমাকে মারার জন্য কোদাল দিয়ে কোপানোর উদ্দেশ্যে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে আমাকে মেরে ফেলবে মর্মে বিভিন্ন হুমকি দেয়। আমি ভীত সন্ত্র হইয়া আমার ঘরে আমার পরিবারের লোকজন আমাকে বন্ধ করে রাখলে আমি রক্ষা পাই।
ওই দিন সন্ধ্যা ৬.৩০ ঘটিকার সময় আবারও সঙ্গবদ্ধ হইয়া আমার বাড়ীর ভিতরে প্রবেশ করে এবং আমাকে প্রাণে মেরে ফেলবে বলে হুমকি প্রদান করিতে থাকে। আমি উপায়ন্তর না পাইয়া আমার বাড়ী থেকে চুপি সারে আমার কাকা যোগিস চন্দ্রর বাড়ীতে আত্ম গোপন করিয়া প্রাণে রক্ষা পাই এবং বাচাও বাচাও বলিয়া আর্তনাদ করিতে থাকিলে আশ পাশের লোকজন ঘটনা স্থলে আসিয়া আমাকে উদ্ধার করে।হিন্দু সম্প্রদায়ের হওয়ায় আমার ও পরিবার উপর দফায় দফায় হামলা ও প্রান নাশের হুমকির বিচার ও নিরাপত্তা চাই।
কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ নাজমুল হোসেন বলেন, এ ঘটনায় লেখিত অভিযোগ পেয়েছি।আইনগত ব্যবস্থা নিতে দায়িত্বরত পুলিশ কাজ করছে বলে জানান তিনি।
Related