


দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে চলতি আমন মৌসুমে ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১১ হাজার ৫শ হেক্টর।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, মৌসুমি বৃষ্টিপাত ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চাষাবাদে তেমন কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়নি। কৃষকদের আগ্রহও তুলনামূলক বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। উন্নত জাতের বীজ, পর্যাপ্ত সার এবং কীটনাশকের সহজলভ্যতা আমন উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। ধান রোপণের কাজ ইতোমধ্যেই সম্পন্নের পথে, এবং আগাম সম্ভাব্য সময় ধরে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে কাটা-মাড়াই শুরু হতে পারে। এ বছর যদি কোনো প্রাকৃতিক দুরে্যাগ না ঘটে, তাহলে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তারা।
এদিকে, অনেক কৃষক জানান, ধানের ন্যায্য মূল্য ও উৎপাদন খরচের তুলনায় লাভ নিশ্চিত করা গেলে তারা ধান চাষে আরও আগ্রহী হবেন। উপজেলার বরাতিপুর গ্রামের কৃষক আব্দুর রহিম বলেন, “এবার পানি ও আবহাওয়া ভালো ছিল, এখন শুধু ভালো ফলনের অপেক্ষা।”
বিষয়টি নিয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার মো. রফিকুজ্জামান জানান, “চাষিদের মাঝে উচ্চফলনশীল জাত যেমন ব্রি-৫১, ৫২, ৭৫, ৩৪ ও ১০৩ এবং বিনা ১৭ ও ২০ ধান অধিক ফলনশীল হওয়ায় মাঠ পর্যায়ে আমাদের কৃষি কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে রয়েছে, বৃষ্টিপাতও যথেষ্ট পরিমাণে হয়েছে। মাঠপর্যায়ে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে এবং বীজ, সার ও কীটনাশক সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই।”
তিনি আরও বলেন, আমরা কৃষকদেরকে উচ্চফলনশীল ও রোগ প্রতিরোধী জাতের ধান চাষে উৎসাহ দিচ্ছি। তবে যেকোনো প্রাকৃতিক দুরে্যাগ বা ক্ষতিকর পোকামাকড়ের আক্রমণ প্রতিরোধে আমরা সতর্ক আছি। কৃষি বিভাগ মাঠে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে এবং কৃষকদের পাশে রয়েছে।