


বাফুফে গত বছর জাতীয় অ-১৫ চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন করেছিল। দেশজুড়ে হওয়া টুর্নামেন্টে হাজারের অধিক ফুটবলার অংশগ্রহণ করেছিলেন। বাফুফে ঐ প্রতিযোগিতা থেকে ১২৮ জন ফুটবলারকে বাছাই করেছিল।
বাছাইকৃত ১২৮ ফুটবলারকে আরেক দফা বাছাই করেছে ফেডারেশন। কমলাপুর স্টেডিয়ামে গত কয়েক দিন বাছাইকৃত ফুটবলাররা ট্রায়াল দিয়েছেন। সেই ট্রায়াল শেষে ৩৬ ফুটবলার আজ ইয়েস কার্ড পেয়েছেন। যারা সামনে বয়স ভিত্তিক জাতীয় দল কিংবা বাফুফে একাডেমিতে অনুশীলনের সুযোগ পাবেন।
অ-১৫ ফুটবল টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান ও বাফুফের নির্বাহী সদস্য মঞ্জুরুল করিম বলেন, ‘ফুটবল উন্নয়নের জন্য শক্তিশালী পাইপলাইন প্রয়োজন। এজন্য আমরা অ-১৫ ফুটবলারদের বাছাই করলাম। সামনে অন্য বয়স ক্যাটাগরিতেও এটা করা হবে।’ বাংলাদেশ সম্প্রতি সাফ অ-২০ টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এই শিরোপা জেতার পর বাফুফে তৃণমূল ফুটবলে আরো বেশি জোরদার করেছে। গত বছরের মতো এই বছরও বাফুফে অ-১৫ টুর্নামেন্ট আয়োজন করবে দেশব্যাপী।