সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টায় গঙ্গাচড়ায়
সাংবাদিকদের সামনে লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, মো. মোজাহিদুল ইসলাম আউয়াল (পিতা- মৃত নেজাম উদ্দিন) তার সহযোগীদের নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র চালাচ্ছেন। আউয়াল এলাকায় বে-আইনি লোক সমাবেশ ডেকে এবং মানহানিকর লিফলেট বিতরণ করে মসজিদের বৈধ সম্পত্তি জবরদখলের, উস্কানিমূলক বক্তব্য ও হুমকি দিচ্ছেন।
মোঃ শিহাব হাসান বলেন, গত ১২ সেপ্টেম্বর আউয়াল ভুটকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সমাবেশ করে আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালায় । তিনি প্রকাশ্যে হুমকি দেন যে, ৭ দিনের মধ্যে আমরা মামলা তুলে না নিলে জজ কোর্টকে তোয়াক্কা না করে মসজিদের ওয়াকফ কৃত জমির ফসল কেটে নেবেন এবং আমাদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসাবেন।
তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া থানায় জিডি নম্বর ৭৩৪, তারিখ ১৩/০৯/২০২৫ করা হয়েছে। এছাড়া জমি দখল প্রতিরোধে পূর্বে ১৪৪/১৪৫ ধারায় মামলা করা হয়েছিল, যা বর্তমানে জেলা জজ কোর্টে চলমান মামলার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
মোঃ শিহাব হাসান আরো অভিযোগ করে বলেন, মো. মোজাহিদুল ইসলাম আউয়াল জামায়াতে ইসলামীর মামলার আসামি। তিনি প্রভাব খাটিয়ে এলাকার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করছেন। আমাদের সামাজিক ও পারিবারিক মান-সম্মান ক্ষুণ্ণ করার পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন। তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, বে-আইনি সমাবেশ বন্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে এবং অপপ্রচারকারীদের আইনের আওতায় এনে পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুটকা পুরাতন জামে মসজিদটি ১৯২৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৯৮ সালে ওয়াকফ এস্টেটভুক্ত হয় (ইসি নং-১৮৫৮৮)। বর্তমানে নিয়মিত বিধি মোতাবেক কমিটি গঠনের মাধ্যমে মসজিদ পরিচালিত হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের মাধ্যমে সভাপতি মো. শিহাব হাসান আশা প্রকাশ করেন, প্রশাসন ও আইন আদালতের যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহনের মাধ্যমে সত্য প্রকাশ পাবে এবং কুচক্রী মহলের সকল অপকর্ম ও ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হবে।