ওই এলাকার দুলাল মিয়া ও তরুন যুব সমাজসহ স্থানীয়দের আয়োজনে সাত দিন ব্যাপী ডিঙি নৌকা বাইচের শুভ উদ্ধোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে ২৯ সেপ্টেম্বর বিকাল ৪ টায়। এরপর দ্বিতীয় দিনের মতো বুধবার (১ অক্টোবর) বিকাল ৪ টায় ঐতিহ্যবাহী ডিঙি নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজকরা জানিয়েছেন দুই এক দিন পরপর নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়। তৃতীয় দিনের মতো শুক্রবার বিকালে ডিঙি নৌকা বাইচ প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হবে।
আয়োজক কমিটির অন্যতম সদস্য দুলাল মিয়া জানান, মরহুম শামছুল পাগলার ১১ তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে সাত ব্যাপী ডিঙি নৌকা বাইচ প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়। স্থানীয় ও দূর-দূরান্ত থেকে ৮ থেকে ১০ টি ডিঙি নৌকা প্রতিযোগীয় অংশ গ্রহণ করে। এই প্রথম এলাকায় ডিঙি নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হওয়ায় এলাকার হাজার হাজার নারী-পুরুষ, শিশু -কিশোরসহ লোকজন অত্যান্ত আনন্দের শহিদ নৌকা বাইচ প্রতিযোগী উপভোগ করছেন। তিনি আরও জানান, ইচ্ছা ছিল বড় বড় নৌকা দিয়ে নৌকা বাইচ প্রতিযোগীতা করা হবে। কিন্তু আমাদের বারোমাসিয়া নদীতে পানি কম থাকায় ছোট ছোট ডিঙি নৌকা বাইচ প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়েছে। খেলায় প্রথম পুরস্কার একটি ছাগল, দ্বিতীয় পুরস্কার একটি বাটন ফোন, তৃতীয় পুরস্কার দেয়াল ঘড়ি ও চতুর্থ পুরস্কার হিসেবে থাকছে একটি ছাতা।
ওই শিক্ষার্থী অসীম কুমার রায়, মাসুদ রানা ও রোখসানা খাতুন জানান, আমাদের এলাকায় এই প্রথম ছোট ছোট ডিঙি নৌকা বাইচ প্রতিযোগীতা আয়োজন করেছে। বাড়ির পাশে হওয়ায় প্রতিটি নৌকা বাইচ প্রতিযোগীতা উপভোগ করছি। লেখার দিন করি অনেক মানুষের সমাগম ঘটে।
ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম জানান, স্থানীয়রা এই প্রথম মরহুম শামছুল পাগলার স্মৃতিচরণে সাত দিন ব্যাপী নৌকা বাইচ প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হবে। আশা রাখি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এই সাত দিন ব্যাপী ডিঙি নৌকা বাইচ প্রতিযোগীটি সুসম্পূর্ণ ভাবে সমাপ্তি হবে।