1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
ভূরুঙ্গামারী হানাদার মুক্ত দিবস  | দৈনিক সকালের বাণী
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন

ভূরুঙ্গামারী হানাদার মুক্ত দিবস 

ভুরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২৯৭ জন দেখেছেন
আজ ১৪ নভেম্বর ভূরুঙ্গামারী হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাক-হানাদার বাহিনীর কবল থেক মুক্ত হয় ভূরুঙ্গামারী। মুক্তিযুদ্ধে দেশের প্রথম হানাদার মুক্ত উপজেলা ভূরুঙ্গামারী হলেও সরকারি স্বীকৃতি মিলেনি এখনো। দেশের প্রথম হানাদার মুক্ত উপজেলা হিসেবে সরকারী স্বীকৃতির দাবি এখন ভূরুঙ্গামারীর সর্বস্তরের মানুষের।

মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে রনাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে কথা বলে ও বিভিন্ন সূত্রের তথ‍্যে জানা যায়,মুক্তিযুদ্ধের সময় ভূরুঙ্গামারী ৬ নং সেক্টরের অধীনে ছিল। ওই সময়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের  সাহেবগঞ্জ সাব-সেক্টরের মাধ্যমে ভূরুঙ্গামারীর দক্ষিণ দিক খোলা রেখে পশ্চিম, উত্তর ও পুর্ব দিক থেকে এক যোগে আক্রমণের সিন্ধান্ত নেয় মুক্তিযোদ্ধারা। পরিকল্পনা মোতাবেক মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতীয় বাহিনীর যৌথ নেতৃত্বে প্রবল আক্রমণ শুরু হয়।  ১৩ নভেম্বর মিত্র বাহিনীর কামান, মর্টার প্রভৃতি ভারী অস্ত্র দিয়ে গোলা বর্ষণ শুরু হয় এবং ভারতীয় যুদ্ধ বিমান আকাশে চক্কর দিতে থাকে। অবশ্য এর একদিন আগে থেকেই মিত্র বাহিনীর বিমান শত্রুদের উপর গোলা বর্ষণ শুরু করেছিলো। ভোর হবার আগেই পাকবাহিনীর গুলি বন্ধ হয়ে যায়।

এসময় পাক সেনারা পিছু হটে পাশবর্তী নাগেশ্বরী উপজেলার রায়গঞ্জ নামক স্থানে অবস্থান নেয়। ১৪ নভেম্বর ভোরে মুক্তি বাহিনী জয় বাংলা শ্লোগান দিয়ে ভূরুঙ্গামারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও সিও (বর্তমান উপজেলা পরিষদ) অফিসের সামনে চলে আসে। এসময় বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত হয় ভূরুঙ্গামারী।

ওই সময়ে একজন পাক ক্যাপ্টেন (আতাউল্লা খান) সহ ৪০/৫০ জন পাকসেনা নিহত হয় এবং ৩০/৪০ জন পাকসেনা আটক করা হয়।পরে সিও’র বাসভবন (বর্তমান উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বাসভবন) এর দোতলায় তালা বদ্ধ অবস্থায় কয়েকজন নির্যাতিতা মহিলাকে উলঙ্গ অবস্থায় পাওয়া যায়। এদের অনেকে ৫/৬ মাসের অন্তসত্বা ছিলেন। এসময় ভূরুঙ্গামারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি তালা বদ্ধ কক্ষ থেকেও ১৬ জন নির্যাতিতা মহিলাকে উদ্ধার করা হয়।

এই অঞ্চলের যুদ্ধরত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দাবী হানাদারের কবল থেকে এই ভূরুঙ্গামারী উপজেলা প্রথম মুক্ত হয়। দিবসটি উপলক্ষে আমরা মুক্তি যোদ্ধা সন্তান পরিবার নামের একটি সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )