শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধূলা,সামাজিক,সাংস্কৃতিক, কল্যাণমূলক ও স্থানীয় উন্নয়নের ক্ষেত্রে তিনি যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা গঙ্গাচড়ার মানুষের কাছে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে ।
বিদায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষক পেশাজীবি সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দ । তারা মাহমুদ হাসান মৃধার সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং সাধারণ মানুষের প্রতি আন্তরিকতার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একের পর এক বক্তৃতায় তাঁর মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং উদ্ভাবনী চিন্তার কথা উঠে আসে।
গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রেসক্লাব বিশেষভাবে তাঁর প্রতি শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানায়। উপজেলা প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক আব্দুল আলীম প্রামানিক বলেন, মাহমুদ হাসান মৃধা আমাদের এলাকার সংবাদ পরিবেশন ও জনগণের কল্যাণকর কাজে নতুন উদ্দীপনা এনেছেন। তাঁর সততা ও পরিশ্রম চিরস্মরণীয়।
উপজেলার মানুষ তাঁর বিদায়কে চোখের জলে স্মরণ করবেন। অনেকেই আবেগের সঙ্গে জানিয়েছেন, ইউএনও মৃধা স্যার আমাদের জন্য শুধু প্রশাসক নন, তিনি আমাদের বন্ধুও ছিলেন। তিনি যেকোনো সমস্যায় আমাদের পাশে ছিলেন।
মাহমুদ হাসান মৃধা নিজেও বলেন, গঙ্গাচড়ার মানুষ আমাকে শিখিয়েছে, অনুপ্রাণিত করেছে। এখানে কাটানো সময় আমার জীবনের এক অনন্য অভিজ্ঞতা ও স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে । মানুষের সেবা করার আনন্দ কখনও ভুলা যায় না। প্রত্যেক মানুষের মুখে হাসি ও আশা দেখতে পেয়েছি,সেই মুহূর্তগুলো আমার হৃদয়ে চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
বিদায়ী মুহূর্তে মাহমুদ হাসান মৃধার অশ্রুসিক্ত নয়ন দেখে উপস্থিত সকলকেই কেঁদেছেন এবং একইসঙ্গে তাঁকে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় বিদায় জানালেন। স্থানীয়রা আশা করছেন, নতুন দায়িত্বেও মাহমুদ হাসান মৃধা তাঁর উদ্ভাবনী ও মানবিক নেতৃত্বের গুণাবলীর মাধ্যমে দেশ ও জনগণের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাবেন এবং তাকে দেখে অনেকই দেশ ও জনগণের কল্যাণে সেবকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হবেন ।