কুয়াশার সাথে উত্তরের হিমেল হাওয়ায় সন্ধ্যার পর থেকে সকাল অব্দি অনুভূত হচ্ছে ঠান্ডা। এতে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়স্করা। বিশেষ করে কষ্ট বেড়েছে খেটে খাওয়া মানুষজনের।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার জানিয়েছে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
উপজেলার ধরলা ও বারোমাসিয়াসহ নদনদীর তীরবর্তী প্রায় শতাধিক চরাঞ্চলে বাসিন্দাদের চরম ভোগান্তি বেড়েছে। এসব চরের অধিকাংশই তীব্র শীত হওয়ায় হিমেল বাতাসে ঘরবন্দী হয়ে পড়েছেন এ সব এলাকার মানুষ।
উপজেলার চরগুলোতে শীতের তীব্রতা কয়েক গুণ বেশি। এতে বৃদ্ধ, শিশু ও দিনমজুররা বেশি বিপাকে পড়েছেন। শীতের কারণে দিনমজুরদের কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে কষ্টে দিন কাটছে তাদের।
কুরুষাফেরুষা এলাকার আব্দুল জলিল ও পূর্ব ফুলমতি এলাকার নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা গরীব মানুষ। ঘরে পরার মতো মোটা কাপড় নাই। রাতে ঘুমাইতে গেলে ঠান্ডায় শরীর জমে যায়। তার পরেও শীতের সকালে কাজের সন্ধানে যেতে হয়।
কুড়িগ্রাম রাজারহাট আবহাওয়া ও কৃষি পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, আজ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কুয়াশা পড়ার সাথে দিন দিন তাপমাত্রা কমে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাবে।