1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
রেলপথ ও পানি উন্নয়ন বোর্ড কে মধ্যপাড়া পাথর ব্যবহারের নির্দেশ দিলেন - জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা | দৈনিক সকালের বাণী
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০৬ পূর্বাহ্ন

রেলপথ ও পানি উন্নয়ন বোর্ড কে মধ্যপাড়া পাথর ব্যবহারের নির্দেশ দিলেন – জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা

পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১০০ জন দেখেছেন

দেশের উৎপাদনশীল দিনাজপুরের পার্বতীপুরের মধ্যপাড়া পাথর খনি পরিদর্শনে আসেন জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারী) বেলা ১ টায় মধ্যপাড়া পাথর খনি পরিদর্শন করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। তিনি, খনির ভূ-গর্ভে এবং উপরিভাগ পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি মধ্যপাড়া পাথর খনিতে বাংলাদেশ রেলওয়ে ৪০/৬০ মিলি (ব্লাস্ট) পাথর ব্যবহার বাড়াতে উপস্থিত রেলের ডিজিকে নির্দেশ দেন এবং জমাকৃত নদী শাসন কাজে খনির বোল্ডার পাথর ব্যবহারে পানি সম্পদ উপদেষ্ঠার সাথে ফোনে কথা বলেন।

পরে, তিনি বাংলাদেশ রেলওয়ের ডিজিকে পার্বতীপুরের ভবানীপুর-পাথর খনির ১৪ কিলোমিটার রেললাইন দ্রুত সংস্কারের নির্দেশনা প্রদান করেন। এসময় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টার সঙ্গী হিসেবে ছিলেন জ্বালানী ও খনিজ সচিব-মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মোঃ রেজানুর রহমান, রেলের মহাপরিচালক (ডিজি) আফজাল হোসেন, মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী ডিএম জোবায়েদ হোসেন প্রমুখ।

এব্যাপারে মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) সৈয়দ রফিজুল ইসলাম বলেন, আজকে মাননীয় উপদেষ্টা রেলপথ ও পানি উন্নয়ন বোর্ড কে পাথর ব্যবহার করার নির্দেশনা প্রদান করেন। সেই মধ্যপাড়া-ভবানীপুর রেলপথ পরিদর্শন করেন। দ্রত রেলপথ মেরামতরে জন্য রেলের ডিজিকে বলেছেন। বাংলাদেশ রেলওয়ে ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের ক্রয় হ্রাসের কারনে মজুদ পাথরের পরিমান বাড়ছে। এরপরও মধ্যপাড়া পাথর খনি সরকারি কোষাগারে উৎপাদন খরচ, ভ্যাট ও আয়কর পরিশোধ করে আসছে।

উলেখ্য, ১৯৯৪ সালে ২০ অক্টোবর পেট্রাবাংলার ভূ-গর্ভস্থ খনি মধ্যপাড়া কঠিন শিলার প্রকল্প বাস্তবায়নের শুভ উদ্ধোধন করেন তৎকালিন গণপ্রজান্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। খনিটি ২০০৭ সালে বাণিজ্যিক ভাবে পাথর উৎপাদনে যায়। প্রতিদিন পাথর উত্তোলন হয় ৭শ’ থেকে ৮শ’ মেট্রিক টন। খনিটি লোকসানি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। ২০১৩ সালের ২ সেপ্টেম্বর সরকারের সাথে উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খনির উৎপাদন ও রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি হয় বেলারুশের জেএসসি ট্রেস্ট সকটোস্ট্রয় ও জার্মানীয়া কর্পোরেশন লিমিটেড নিয়ে গঠিত জার্মানীয়া-ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি) এর সাথে। জিটিসি ইউক্রেন, রাশিয়ান ও বেলারুশের সুদক্ষ মাইনিং বিষেশজ্ঞ দল ও দেশীয় শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে পাথর খনি থেকে দৈনিক সাড়ে ৫ হাজার মেট্রিক টন পাথর উত্তোলন করে।

জিটিসি’র হাত ধরে গত ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে মধ্যপাড়া পাথর খনিটি লাভের মুখ দেখতে শুরু করে। সেটি টানা ৫ বছর ধরে অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে খনিটি লোকসান কাটিয়ে লাভের মুখ দেখতে শুরু করে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )