


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রংপুর–৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে নির্বাচনী তৎপরতা দিন দিন তীব্রতর হচ্ছে। গ্রাম থেকে হাট-বাজার, অলিগলি থেকে প্রধান সড়ক—সবখানেই চোখে পড়ছে প্রার্থীদের সরব উপস্থিতি। পথসভা, উঠান বৈঠক, লিফলেট বিতরণ ও ঘরে ঘরে গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা।
উপজেলা নির্বাচন সূত্রে জানা গেছে জানা গেছে, রংপুর–৪ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫,০৯,৯০৫ এর মধ্যে পুরুষ ভোটার২,৫০,৭৮৭ এবং নারী ভোট২,৫৯,১৩ তৃতীয় লিঙ্গ ৫ জন কয়জন প্রান্তে যাবেন না এই ভোটার জনগোষ্ঠীর সমর্থন পেতে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্রসহ মোট ৯ প্রার্থী।
নদীভাঙন রোধ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, তিস্তা অববাহিকার উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন—এসব প্রতিশ্রুতি সামনে রেখে ভোটের হিসাব মেলাতে ব্যস্ত প্রার্থীরা। তবে বছরের পর বছর প্রতিশ্রুতি শোনার পরও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন না হওয়ায় অনেক ভোটারই এবার
সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন।
কাউনিয়া উপজেলার শামীম নামে একজন ভোটার বলেন,“প্রতিবারই ভোটের আগে অনেক কথা বলা হয়, কিন্তু নির্বাচনের পর মানুষকে আর খোঁজ নেওয়া হয় না। তাই এবার ভেবেচিন্তে ভোট দেব।”
অন্যদিকে পীরগাছার আমজাদ হোসেন নামে এক তরুণ ভোটার জানান,আমরা শুধু প্রতিশ্রুতি শুনতে চাই না, কাজ দেখতে চাই। যিনি বাস্তবে কিছু করবেন, তাকেই ভোট দেব।”
এ দিকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের এই আসনের প্রার্থীরা বলছেন দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো তাদের জানা আছে। নির্বাচিত হলে রংপুর–৪ আসনের সার্বিক উন্নয়ন, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি তাদের প্রধান অগ্রাধিকার হবে।
সাধারণ ভোটারদের মতে, প্রতিশ্রুতি আর বাস্তবতার হিসাব কষেই এবার ভোটাররা তাদের রায় দেবেন। এছাড়া নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে কৌতূহল—শেষ পর্যন্ত রংপুর–৪ আসনের বিপুলসংখ্যক ভোটারের রায় যাবে কার পক্ষে, সেদিকেই এখন তাকিয়ে পুরো এলাকা।