1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
পঞ্চগড় কৃষকের রসুনক্ষেত নষ্টের অভিযোগ | দৈনিক সকালের বাণী
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন

পঞ্চগড় কৃষকের রসুনক্ষেত নষ্টের অভিযোগ

পঞ্চগড় অফিস
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৯৫ জন দেখেছেন

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার সোনাহার মল্লিকাদহ ইউনিয়নের সোলেমান হক নামে এক কৃষকের দেড় বিঘার রসুন নষ্ট করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে ওই ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মাসুদ মিয়ার বিরুদ্ধে। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ওই ইউপি সদস্য তার দলবল নিয়ে কৃষকের কষ্টে ফলানোর রসুনক্ষেতের রসুনের গাছ কেটে ফেলে দেয় এবং আগাছানাশক স্প্রে করে দেয় বলে অভিযোগ করেন ওই কৃষক পরিবার। ঘটনাটি ওই ইউনিয়নের মল্লিকাদহ মনিরপাড় এলাকার।

ভুক্তভোগী কৃষক জানায়, তিনি স্থানীয় বাসিন্দা ফরিদ আলীর কাছে ওই দেড় বিঘা জমি ২০২২ সালে ক্রয় করে চাষাবাদ করে আসছিলেন। গেলো বছরের ডিসেম্বর থেকে ওই জমিটি তাদের করে ফসলের ক্ষতি করে আসছিলেন সোনাহার মল্লিকাদহ ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মাসুদ মিয়া। ২০২৫ সালের ১৯ ডিসেম্বর দেবীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী কৃষক সোলেমান হক। তারপরে বেশ চুপচাপ থাকলেও গত ৮ ফেব্রুয়ারি হঠাৎ দলবল নিয়ে ওই ইউপি সদস্য দলবল নিয়ে সোলেমানের ক্ষেতে গিয়ে রসুনের গাছগুলো নির্বিচারে কেটে ফেলেন। পাশাপাশি আগাছানাশক স্প্রে করে দেয় তার লোকজন। কষ্টের ফসলের সাথে এমন অবিচার দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন কৃষক সোলেমান হক।

তিনি বলেন, ধার দেনা করে দেড় লাখ টাকা খরচ করে আমি রসুন চাষ করেছিআমার কষ্টের ফসল সব নষ্ট করে দিয়েছে মাসুদ মেম্বার ও তার লোকজন। আর কয়েকদিন পরেই তোলা যেতো রসুন। একজন মানুষ ফসলের সাথে এমন নিষ্ঠুরতা করতে পারে না। আমি এর ন্যায় বিচার চাই। জমিটি আমার কেনা সম্পত্তি। এখন তারা হঠাৎ জমিটি তাদের দাবি করে এমন অমানবিক আচরণ করছে।
সোলেমানের মা সালমা খাতুন বলেন, আমার ছেলের জমির রসুন ওরা সব কেটে নষ্ট করে দিয়েছে। ঘাসমরা স্প্রে করে দিয়েছে। এতো সুন্দর ফলন হয়েছিল সব শেষ করে দিয়েছে ওরা। এই কৃষি করেই আমাদের চলে। ওরা দা ছুরি নিয়ে এসেছিল। প্রভাবশালী হওয়ায় আমরা তাদের সাথে পেরে উঠতে পারছি না। ফসলের সাথে শত্রুতার আমরা বিচার চাই।

সোনাহার মল্লিকাদহ ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মাসুদ মিয়া বলেন, জমিটি আমাদের কেনা ১৯৭২ সালে। আমাদের দখলেই ছিলো। এই জমি নিয়ে কয়েকমাস আগে গন্ডগোল হলে শালিসের মাধ্যমে জমিটি সোলেমান আমাদের দিয়ে দেয়। সবার অনুরোধে আমরা ৫ হাজার টাকায় ওকে চুক্তিতে আবাদ করতে দেই। আবাদ চলাকালীন অবস্থাতেই সে আমাদের নামে উল্টো মামলা করেছে। এজন্য আমার ছোট ভাইরা গিয়ে রসুন কেটে দিয়েছে। মামলা যেহেতু হয়েছে আমরা আর ক্ষেতে রসুন রাখতে দিবো না।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )