


রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ১১টায় গঙ্গাচড়া উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. জেসমিন আক্তার। সভায় ইউএনও মোছা. জেসমিন আক্তার বলেন, ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো মশার বংশবিস্তার রোধ করা। এজন্য বাড়ির আশপাশে কোথাও তিন দিনের বেশি পানি জমে থাকতে দেওয়া যাবে না।
তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, এ ক্ষেত্রে সাধারণ জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণও অত্যন্ত জরুরি। সবাইকে নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি অন্যদেরও সচেতন করতে হবে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলেমুল বাসার বলেন, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিবেশ পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফুলের টব, পানির ট্যাংক, ড্রাম, পরিত্যক্ত টায়ারসহ যেকোনো পাত্রে জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে এডিস মশা জন্ম নেয়। তাই এসব স্থানে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।
গঙ্গাচড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর ছবুর বলেন, মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সবার নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন হওয়া ও পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা অত্যন্ত জরুরী। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আবতাবুজ্জামান চয়ন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সজিবুল করীম, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
মতবিনিময় সভা শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে উপজেলা পরিষদ চত্বর ও আশপাশ এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়। এ সময় উপস্থিত কর্মকর্তারা মশার বংশবিস্তার রোধে জমে থাকা পানি অপসারণ এবং পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।