পুলিশ জানিয়েছে, খাদ্য অধিদপ্তরের সিলমোহর যুক্ত ৩০ কেজি চালের বস্তা এবং কিছু স্থানীয় বস্তায় এসব চাল গুদামে অবৈধভাবে মজুদ করা হয়। তাৎক্ষণিক চালের হিসাব করা সম্ভব না হলেও ধারণা করা হচ্ছে ৮শ বস্তায় অন্তত ২০ মেট্রিকটন চাল রয়েছে গুদামগুলোতে। এ সময় অভিযুক্ত ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ এই চালগুলো ভিজিএফের বরাদ্দকৃত চাল। গোপনে পাইকেরদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আলতাফ হোসেন জানান, চেয়ারম্যান মেম্বাররা পাইকারদের কাছে চাল বিক্রি করে দিয়েছে। পাইকাররা বিলির সময় জনসম্মুখে পরিষদের গুদাম থেকে এসব চাল নিয়ে এসে নিজেদের গুদামে রেখেছে। অথচ প্রকৃত গরীব মানুষ চাল পায় না।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক বলেন, বলদিয়া ইউনিয়নে ৬৪ টন ৫৩০ কেজি ভিজিএফ চাল শতভাগ বিতরণ শেষ হয়েছে। এসব চাল কার বা কোথা থেকে এসেছে তা আমার জানা নেই। আর খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল ডিলারদের মাধ্যমে বিতরণ হয়। এখানে ইউনিয়ন পরিষদ বা চেয়ারম্যানের মাধ্যমে বিতরণ হয় না।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভূরুঙ্গামারী সার্কেল) মুনতাসির মামুন মুন বলেন, আটক এসব চাল সরকারি দপ্তরের। কয়েকটি গুদামে আনুমানিক ৮শ টি সরকারি এবং স্থানীয় বস্তায় এসব চাল অবৈধ গুদামজাত করা হয়েছে। পুলিশ আসার আগেই গুদামের মালিকরা পালিয়ে গেছে। আপাতত এসব চাল পুলিশি হেফাজতে থাকবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহাদাৎ হোসেন বলেন, আটক চালের বস্তা গুলো পুলিশি হেফাজতে আছে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।