তিনি জানিয়েছেন, নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে একটি আধুনিক ও কার্যকর প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলাই তার মূল লক্ষ্য। রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ড. মো. আকনুর রহমান এসব কথা বলেন।
অতিরিক্ত সচিব বলেন, ‘প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে যোগ্য কর্মকর্তাদের যথাযথ দায়িত্ব প্রদান নিশ্চিত করা হলে রাষ্ট্রীয় সেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। আমরা এমন একটি ব্যবস্থাপনা কাঠামো প্রতিষ্ঠা করতে চাই, যেখানে মেধা ও কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং কোনো ধরনের প্রভাব বা অনিয়মের সুযোগ থাকবে না।’
তিনি আরও জানান, নিয়োগ, পদোন্নতি ও প্রেষণ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, গতিশীল ও তথ্যভিত্তিক করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। কর্মকর্তাদের কর্মদক্ষতা মূল্যায়নে আধুনিক পদ্ধতি প্রয়োগ এবং পারফরম্যান্সভিত্তিক পদোন্নতির সংস্কৃতি জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে সঠিক স্থানে সঠিক জনবল নিশ্চিত করতে প্রেষণ ব্যবস্থাকেও সময়োপযোগী করা হবে, যাতে মাঠ প্রশাসন থেকে শুরু করে নীতিনির্ধারণী পর্যায়– সব জায়গায় কার্যকারিতা বাড়ে।
ড. আকনুর রহমান বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য শুধু প্রশাসন পরিচালনা নয়, বরং জনবান্ধব একটি সেবা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। নাগরিকদের প্রত্যাশা ও বাস্তব চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে প্রশাসনিক সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। এজন্য কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে, যাতে তারা দ্রুত ও কার্যকরভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।’
প্রশাসনের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘প্রশাসনের প্রতি মানুষের আস্থা পুনরুদ্ধার ও শক্তিশালী করা আমাদের অন্যতম অঙ্গীকার। আমরা চাই, প্রতিটি সরকারি কর্মকর্তা নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করুন এবং রাষ্ট্রের উন্নয়ন অভিযাত্রায় সক্রিয় ভূমিকা রাখুন। সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং সেবার মানোন্নয়নে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।’
























