তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা ভারত থেকে ২২ হাজার টন ডিজেল পেয়েছি। তাদের সঙ্গে আমাদের চুক্তি রয়েছে। এছাড়া ইন্দোনেশিয়া থেকেও তেল আনা হচ্ছে। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র থেকেও তেল আমদানির চেষ্টা চলছে।
যুগ্মসচিব বলেন, আমরা আপাতত সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য বলছি। এজন্য ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যােগ নিচ্ছি। সরবরাহ চেইনে যাতে কোনো সংকট তৈরি না হয় সরকার সেই চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন, আজকের দিনে ডিজেলের যে মজুত আছে তা হলো ১ লাখ ৩৩ হাজার টন। ৩০ মার্চ ও ৩ এপ্রিল ৫৪ হাজার ৬০০ টন তেল আসবে। মালয়েশিয়া ও অন্যান্য দেশ থেকে ১ লাখ ৫৪ হাজার টন তেল আসবে এপ্রিলেই। আমাদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই; তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। আমরা ক্লিয়ার নির্দেশনা দিয়েছি কৃষিখাতকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও ইউএনওর মাধ্যমে যাতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কৃষকরা ডিজেলটা পায় সে চেষ্টা কর
























