1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
দিনাজপুরের দুই উপজেলায় হোটেল ও মাংস ব্যবসায় ধ্বস | দৈনিক সকালের বাণী
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৫:৩৫ অপরাহ্ন

মরা গরু ও ঘোড়া জবাইয়ের প্রভাব: দিনাজপুরের দুই উপজেলায় হোটেল ও মাংস ব্যবসায় ধ্বস

বিরামপুর ও নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৮২ জন দেখেছেন

দিনাজপুরের বিরামপুর শহরে মরা গরুর পঁচা মাংস বিক্রি ও নবাবগঞ্জ উপজেলায় ৫টি ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির চেষ্টায় এই দুই উপজেলার মানুষের মাঝে মাংসের প্রতি আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এর প্রভাবে দোকানে কসাইরা মাংস বিক্রি করতে না পেরে এবং হোটেলে খদ্দের না থাকায় ওই দুই ব্যবসায় চরম ধ্বস নেমে এসেছে। জানা গেছে, বিরামপুর শহরে ১০ এপ্রিল কসাইয়ের দোকানে প্রকাশ্য মরা গরুর দূর্গন্ধযুক্ত পঁচা মাংস বিক্রির সময় স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়।

পুলিশের উপস্থিতি ও জনরোষে মূল কসাই পালিয়ে গেলেও ভ্রাম্যমান আদালত দুইজনকে অর্থদণ্ড ও পঁচা মাংস মাটিতে পুঁতে ফেলে। অপরদিকে গত ৩ এপ্রিল নবাবগঞ্জ উপজেলায় ৫টি ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির চেষ্টা করা হয়। স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ তিন কসাইকে আটক করে। ভ্রাম্যমান আদালত ওই তিন কসাইকে এক বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন।

সাধারণ মানুষের কথা, এ দুটি ঘটনা ধরা পড়লেও কসাইরা বিভিন্ন ভাবে মরা গরু ও ঘোড়ার মাংস বিক্রি করছে কিনা তা নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম অনিশ্চয়তা। গরু জবাইয়ের আগে প্রাণি সম্পদ বিভাগ থেকে সুস্থ্যতার ছাড়পত্র নেওয়ার নিয়ম এবং নির্দিষ্ট কসাই খানায় গরু জবাইয়ের নির্দেশনা থাকলেও অসাধু কসাইরা কোন নিয়ম না মেনে যত্রতত্র রোগাক্রান্ত ও মরা গরু জবাই করে সেই মাংস বিক্রি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দুটি ঘটনা ধরা পড়ার পর এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হওয়ায় মানুষ মাংস কিনতে এবং হোটেলে মাংস খেতে অনীহা দেখাচ্ছে। ফলে কসাইরা মাংস নিয়ে দিনভর বসে থেকে এক তৃতীয়াংশ বিক্রি করতে পারছেন না। আর হোটেলে মাংস বিক্রি নেমে এসেছে এক চতুর্থাংশের নিচে। এতে দুই উপজেলার কসাই ও হোটেল ব্যবসায়ীরা চরম বিপাকে পড়েছে।

বিরামপুর বাজারের কসাই আনিছুর রহমান বলেন, আগে বেলা ১১টার মধ্যে সব মাংস বিক্রি হলেও এখন সারাদিন বসে থেকে অর্দ্ধেক মাংসও বিক্রি হচ্ছেনা। নবাবগঞ্জ বাজারের কসাই মিলন মিয়া বলেন, আগে এই বাজারে ৩/৪টি গরু জবাই হলেও এখন ১টি গরুর মাংসও বিক্রি হয়না।

বিরামপুর শহরের শিরু হোটেলের স্বত্বাধিকারী সাকিব হাসান ও নবাবগঞ্জ বাজারের ভোজন বিলাস হোটেলের স্বত্বাধিকারী শাহাজুল ইসলাম বলেন, আগে প্রচুর পরিমানে রান্না করা মাংস বিক্রি হলেও খদ্দেররা এখন আর মাংস খেতে চাচ্ছেনা। ফলে তাদের বিক্রি নেমে এসেছে এক তৃতীয়াংশের নিচে। ক্রেতার অভাবে কর্মচারী নিয়ে এখন তারা অলস সময় পার করছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )