


এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিধান কান্তি হালদার, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক মিয়া, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাজমুল হুদা, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক মিয়া জানান, চায়না দুয়ারী বা শয়তান জালের ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ ধরনের জালে ছোট-বড় সব ধরনের মাছ ও জলজ প্রাণী নির্বিচারে আটকা পড়ে। এতে প্রাকৃতিক মৎস্যসম্পদ ও জলজ জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও আইন বাস্তবায়নের স্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিধান কান্তি হালদার বলেন, অবৈধ জাল ব্যবহার করে কেউ যাতে জলাশয়ে মাছ আহরণ করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মৎস্যসম্পদ রক্ষা ও জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।