পোস্টে স্পষ্ট করে বলা হয়, ‘ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডি কর্তৃক শিক্ষক নিয়োগ প্রদান সংক্রান্ত কোনো সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি।’ একই সঙ্গে এ বিষয়ে অপতথ্য প্রচার না করার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।
তবে মন্ত্রণালয়ের সভার কার্যবিবরণীতে ভিন্ন চিত্র পাওয়া যায়।

ওই কার্যবিবরণীতে আরও বলা হয়, ২০১৫ সালের পরিপত্রের মাধ্যমে এনটিআরসিএ যে সরাসরি নিয়োগের সুপারিশ করে আসছিল, তা আর কার্যকর না রাখার বিষয়ে সভায় মতৈক্য হয়েছে। একই সঙ্গে প্রত্যয়নপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়ার পক্ষে মত দেওয়া হয়।
কার্যবিবরণীতে উল্লেখ করা হয়, ২০১৫ সাল থেকে এনটিআরসিএ সরাসরি নিয়োগের সুপারিশ শুরু করার পর বিভিন্ন মামলা, আইনি জটিলতা ও অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিস্থিতি নিরসনে এনটিআরসিএকে শুধু সনদ প্রদানকারী সংস্থায় সীমাবদ্ধ রেখে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে সভায় অভিমত ব্যক্ত করা হয় এবং উপস্থিত সবাই এতে একমত পোষণ করেন—এমন তথ্য রয়েছে নথিতে।
এদিকে নথির তথ্য প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। বিশেষ করে এনটিআরসিএর মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়োগের পরিবর্তে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির হাতে নিয়োগ ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
এর মধ্যেই সোমবার রাতে শিক্ষামন্ত্রীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের বক্তব্যে পুরো বিষয়টি নতুন মোড় নিয়েছে। সেখানে ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে সোমবার (১০ আগস্ট) এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের কাছে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তখন তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। মন্ত্রী বলেন, ‘আজ ফল প্রকাশ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে (এনটিআরসিএর নিয়োগ) কনফারেন্স করা হবে, সেদিন প্রশ্নের উত্তর পাবেন।’
এরপর তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।
সোমবার (১০ আগস্ট) রাতে এ বিষয়ে জানতে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া গেছে। পরে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেককে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।























