1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
গঙ্গাচড়ায় বৈশাখী তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ শতাধিক পরিবার | দৈনিক সকালের বাণী
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ন

গঙ্গাচড়ায় বৈশাখী তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ শতাধিক পরিবার

গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩১ জন দেখেছেন
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার নোহালী ইউনিয়নের চর বাগডহরা এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ও তীব্র শিলাবৃষ্টিতে শতাধিক ঘরবাড়ি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আকস্মিক এই দুর্যোগে এলাকার বহু পরিবার এখন চরম দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
শুক্রবার রাত আনুমানিক ১টার দিকে হঠাৎ করে শুরু হওয়া ঝড়ো হাওয়া ও শিলাবৃষ্টিতে মুহূর্তেই এলাকার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। প্রবল শিলার আঘাতে অধিকাংশ ঘরের টিনের চাল ফুটো হয়ে যায় এবং অনেক ঘর আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে অসংখ্য পরিবার বাধ্য হয়ে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, চর বাগডহরা এলাকার সুজা মিয়া, রফিকুল ইসলাম, সুমন মিয়া, জাহানুর রহমান, লাভলু মিয়া, রহেল উদ্দিন, আসেদা বেগম ও মনু মিয়াসহ বহু মানুষের ঘরবাড়ি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শিলাবৃষ্টির তীব্রতায় ঘরের টিন ছিদ্র হয়ে যাওয়ায় বসবাস প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত সুজা মিয়া বলেন, হঠাৎ রাতে ঝড় শুরু হয়। ঘরের টিন উড়ে যায়, এখন বাচ্চাদের নিয়ে খোলা আকাশের নিচে আছি। রফিকুল ইসলাম বলেন, শিলার আঘাতে ঘরের টিন একেবারে নষ্ট হয়ে গেছে। ভেতরে পানি ঢুকে সব ভিজে গেছে।
সুমন মিয়া বলেন, এক রাতেই সব শেষ হয়ে গেছে। এখন নতুন করে ঘর তোলার কোনো সামর্থ্য নেই। লাভলু মিয়া বলেন, বৃষ্টি হলেই ঘরের ভেতর পানি পড়ে, এখন আর থাকার মতো অবস্থা নেই। রহেল উদ্দিন বলেন, নদী ভাঙনের পর এবার ঝড় আমাদের আরও বিপদে ফেলেছে। আসেদা বেগম বলেন, বাচ্চাদের নিয়ে রাতটা খুব কষ্টে কেটেছে। এখন কোথায় যাবো বুঝতে পারছি না।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দ্রুত সরকারি সহায়তা ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন। তারা জানান, জরুরি সহায়তা না পেলে তাদের জীবনযাপন আরও কঠিন হয়ে পড়বে। নোহালী ইউনিয়নের  ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রেজাউল হক বুলেট বলেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি। আমরা তালিকা তৈরির কাজ করছি। শতাধিক পরিবারের ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। দ্রুত ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হবে এবং যাদের ক্ষতি বেশি হয়েছে তাদের বিষয়ে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু না হলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো চরম মানবিক সংকটে পড়বে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )