1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
পীরগাছার দাখিল পরীক্ষার অনিয়ম খতিয়ে দেখতে তদন্তের নির্দেশ | দৈনিক সকালের বাণী
সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ১০:১৪ পূর্বাহ্ন

পীরগাছার দাখিল পরীক্ষার অনিয়ম খতিয়ে দেখতে তদন্তের নির্দেশ

পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬
  • ২৭ জন দেখেছেন
রংপুরের পীরগাছায় চলমান দাখিল পরীক্ষায় অনিয়ম, ভুয়া পরীক্ষার্থী ও নকলের অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদের পর তদন্তে নেমেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযোগ তদন্তে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার ফারুকুজ্জামান ডাকুয়াকে দায়িত্ব দিয়ে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।
রবিবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন এ নির্দেশ দেন। এ-সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশে প্রকাশিত সংবাদের সত্যতা যাচাই, কেন্দ্রসমূহের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা এবং অন্যান্য বিষয় তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়। আদেশের অনুলিপি জেলা প্রশাসক ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছেও পাঠানো হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার (১৫ মে) দৈনিক সকালের বাণীতে ‘দাখিল পরীক্ষায় লাখো টাকার বাণিজ্য, ভুয়া পরীক্ষার্থী ও নকলের হাট’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে প্রশাসন সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোর সিসিটিভি ফুটেজসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাইয়ের উদ্যোগ নেয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন বলেন, ‘প্রকাশিত সংবাদের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ প্রসঙ্গত, তাম্বুলপুর দাখিল মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী জেনিফা আক্তার জেমি এবারের দাখিল পরীক্ষায় জবানোবিশ মাদ্রাসার পরীক্ষার্থী হিসেবে অংশ নিচ্ছেন। তার রেজিস্ট্রেশন নম্বর ২৩১৮৮৩০২০৭ এবং রোল নম্বর ১৭৮৯২৮। এ ছাড়া নগরজিৎপুর, জবানোবিশ, রহমতচর ও হাসনা মাদ্রাসার আরও কয়েকজন পরীক্ষার্থীর পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র।
আরও অভিযোগ রয়েছে, সরকার নির্ধারিত ৪১০ টাকার পরিবর্তে প্রবেশপত্র বাবদ ৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানভেদে দেড় হাজার থেকে তিন হাজার টাকার বিনিময়ে কিছু পরীক্ষার্থীকে সিসিটিভির আওতার বাইরে বসানো হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকদের কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্ব দিয়ে নকলের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে।
এ ছাড়া প্রকাশিত সংবাদে কেন্দ্র সচিব আব্দুস সাত্তার ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আতিথেয়তা গ্রহণ করে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়ার অভিযোগও উঠে আসে।
এদিকে তদন্তের নির্দেশ জারির পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তারা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )