প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার দেশের অর্থনীতিসহ প্রতিটি ব্যবস্থাকে ফোকলা করে দিয়ে গেছে। আজকে বাংলাদেশের মানুষ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে গড়ে তুলতে হবে।
আগামী ৫ বছরের মধ্যে দেশের ৫০৩টি উপজেলার প্রত্যেকটিতে ১৫১ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, আগামী ৫ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের ৫০৩টি উপজেলার ইনশাল্লাহ প্রত্যেকটিতে আমরা ১৫১ শয্যার উপজেলা হাসপাতাল তৈরি করব। যেখানে মানুষ তার প্রয়োজনমতো চিকিৎসা সুবিধা নিতে পারবে।
তিনি ঘোষণা দেন, ‘আগামী যে সংসদ ২৭ তারিখে শুরু হবে, এই সংসদেই আমরা বাংলাদেশের জনগণের সামনে উপস্থাপন করব– আগামী ১০ বছর আমরা কীভাবে এই দেশের মানুষের জন্য জ্বালানি সমস্যার সমাধান করব, সেই পরিকল্পনা দেব।’
গ্যাস সংকট সমাধানে সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকার তৃতীয় এলএনজি জাহাজের পারমিশন বাতিল করেছিল, যা এখন নতুন করে করতে হচ্ছে।
সামনে হারিকেন, পেছনে ফ্যান সম্প্রতি বিদ্যুৎ-গ্যাসের দাবিতে হারিকেন হাতে একটি রাজনৈতিক দলের প্রতিবাদের কড়া সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘দু’দিন আগে দেখলাম একটি দলের কিছু সদস্য গ্যাস-বিদ্যুৎ চেয়ে সামনে হারিকেন নিয়ে বসে আছে। অথচ তাদের পেছনে ফ্যান চলছে, তারা ফ্যানের বাতাস খাচ্ছে। এই হচ্ছে তাদের হঠকারিতা।’
১৭ বছর তাদের রাজপথে দেখা যায়নি বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলের কথা স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, ‘বিগত ১৭ বছর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রত্যেকটি নেতাকর্মী যুদ্ধ করে এই রাজপথেই টিকেছিল। আজ যারা বড় বড় গলা উঁচু করে বিভ্রান্তিকর কথা বলছে, গত ১৭ বছর মানুষ আপনাদেরকে রাজপথে দেখতে পায়নি।’
পত্রিকার পাতা খুঁজলেই বিগত দিনে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর গুম, খুন ও নির্যাতনের চিত্র উঠে আসবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘রাস্তায় বসে ভাঙচুর করা বা বিশৃঙ্খলা তৈরি করার দিন শেষ। জনগণ এখন সেই রাজনীতি আর সমর্থন করে না। মুরোদ থাকলে শার্টের হাতা গুটিয়ে, কোদাল হাতে মাঠে নামুন, মানুষের জন্য কাজ করুন।’
























