


রংপুরের ব্যস্ততম বাণিজ্যিক বন্দর পাগলাপীরে বিভিন্ন সড়কের উপর ফলমূল, চা পান সিগারেটের দোকান, ফ্লেক্সি লোডের দোকান, বাস কাউন্টার অফিস, ঘাসের বাজার, মাছ মাংসের বাজার, কাঁচাবাজার, বয়লার মুরগির বাজার, বাঁশ হাটিসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠায় সড়কে শিক্ষার্থী পথচারী, যাত্রী ব্যবসায়ী সাধারণ মানুষজন সহ বিভিন্ন পরিবহন চলাচলে প্রতিনিয়ত ছোট বড় দুর্ঘটনা আশঙ্কাহার বেড়ে যাওয়ায় পাগলাপীরের সচেতন মহল উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছেন বলে অভিযোগ উঠছে।
অথচ পাগলাপীর বন্দর সদর উপজেলার প্রাণকেন্দ্র ও শিক্ষার নগরী এলাকা। এছাড়া পাগলাপীর বন্দর পঞ্চরাস্তার মোড় হওয়ায় যোগাযোগের দিক থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এর ফলে প্রত্যহ সকাল থেকে দিবারাত্রী পাগলাপীর বন্দরের বিভিন্ন সড়কের উপর দিয়ে বিরতিহীনভাবে রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ফেনী, কক্সবাজার, ময়মনসিং খুলনা, বরিশাল, বগুড়া সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁ, পঞ্চগড়, নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম গাইবান্ধা রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তগামী সরকারি বেসরকারি চাকরিজীবী, কর্মজীবী নারী পুরুষসহ হাজার হাজার মানুষজনের পদচারণায় যাত্রীদের মিলন মেলা বসে এই স্বপ্নের শহর পাগলাপীরে।
কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে পাগলাপীর বন্দরে রংপুর দিনাজপুর হাইওয়ে, জলঢাকা ডালিয়া বুড়িমারী, বেতগাড়ী গঙ্গাচড়া ও লাহিড়ীরহাট শ্যামপুর বদরগঞ্জসহ জনগুরুত্বপূর্ণ ৫টি সড়কের উপর দিয়ে প্রত্যহ দিবা রাত্রী বাস কোর্স ট্রাক কার মাইক্রো অটো সিএনজি রিকশা ভ্যান মোটরসাইকেলসহ নানান যানবাহন চলাচলের সময় এবং স্কুল কলেজ মাদ্রাসা সহ শিক্ষার নগরী পাগলাপীরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অধ্যানরত কোমলমতি শিক্ষার্থী পথচারী যাত্রী ব্যবসায়ী স্থানীয় সাধারণ মানুষজন সড়কের এপার থেকে ওপার, এ সড়ক থেকে অন্য সড়ক যাতায়াত করতে নানান প্রতিবন্ধিত্বার শিকার হওয়ায় প্রতিনিয়ত যানজট দুর্ঘটনা সহ নানা অপ্রীতিকর ঘটনার শিকার হচ্ছেন।
অথচ পাগলাপীর বন্দরে কোতোয়ালী সদর, হাইওয়ে তারাগঞ্জ পুলিশ ও সদর ট্রাফিক পুলিশ, ৩ থানার পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের সকাল থেকে রাত্রী পর্যন্ত সচরাচর দেখা গেলেও বিভাগীয় শহর রংপুরের প্রবেশদারপথ এই স্বপ্নের শহর পাগলাপীর বাসীর মাঝে মানসম্মত নাগরিকসেবা প্রদানে যানজট দুর্ঘটনা নিরসনে ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে তাদের নেই কোন অগ্রণী ভূমিকা। অপরদিকে এ বিষয়ে হাইওয়ে তারাগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনচার্জ মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর পাগলাপীরে যানজট নিরসনে হাইওয়ে সড়কের উপর বিশেষ করে রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ২ এর সদর দপ্তর হতে ব্র্যাক অফিস পর্যন্ত অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল।
কিন্তু পাগলাপীরের বিশিষ্টজন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ এবং হাট বাজার ইজারাদারদের সহযোগিতা না পাওয়ার কারণে অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান পরবর্তীতে চালানো সম্ভব হয়নি। রোডস এন্ড হাইওয়ে, সদর উপজেলা ও জেলা প্রশাসন, হাইওয়ে তারাগঞ্জ থানাপুলিশ যথারীতি অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান পরিচলনা করে পাগলাপীর বাসীর মাঝে মানসম্মত নাগরিক সেবা প্রদান সম্ভব।