সরেজমিনে দেখা যায়, তিস্তা নদীর তোড়ে বাঁধের পাড়ের মাটি ক্রমেই সরে যাচ্ছে এবং বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বাঁধের সুরক্ষায় স্থাপন করা সিসি ব্লকের বড় একটি অংশ ধসে পড়ায় পরিস্থিতি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। নদী ভাঙন এভাবে অব্যাহত থাকলে যেকোনো মুহূর্তে তা বিস্তৃত হয়ে আরও বড় বিপর্যয় ঘটাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ভাঙনকবলিত এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা মঞ্জুরুল আহসান বলেন, “বাঁধের এই জায়গায় মাটি সরে গিয়ে বড় গর্ত তৈরি হয়েছে এবং ব্লকগুলো ধসে পড়েছে। নদী পারের এই বিপজ্জনক অবস্থায় এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ভাঙন আরও ছড়িয়ে পড়বে।”
আরেক বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, “আমরা দ্রুত এই ক্ষতিগ্রস্ত অংশটি স্থায়ীভাবে মেরামতের দাবি জানাচ্ছি। কারণ বাঁধ ভেঙে গেলে আশপাশের ঘরবাড়ি, কৃষিজমি ও বিপুল সম্পদ নদীর পেটে চলে যাবে।”
খবর পেয়ে ইতোমধ্যেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন লালমনিরহাট সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী দেবাশীষ সাহা। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, “আমি ইতোমধ্যেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। জরুরি ভিত্তিতে কীভাবে এই ভাঙন রোধ করা যায়, সে বিষয়ে কাজ চলমান রয়েছে।”
তবে নদী ও পানির গতিপথ বিবেচনায় নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধটি দ্রুত ও স্থায়ীভাবে সুরক্ষিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা।