


কুড়িগ্রামের রৌমারীতে স্ত্রীর দায়ের করা শ্লীলতাহানির মামলায় আতিক হাসান (২২) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে সোমবার রাতে রৌমারী থানায় একটি মামলা করেন স্ত্রী।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন থেকে রাস্তাঘাটে কু-প্রস্তাব দেন আতিক হাসান। বিষয়টি আমার পরিবারের লোকজনকে অবগত করি। এতে আমি ও আমার পরিবারের লোকজনের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন ও আমার ক্ষতি করার সুযোগ খোঁজতে থাকেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফেরার পথে শৌলমারী ইউনিয়নের উকড়াকান্দা গ্রামের সেতু ওপর উঠামাত্র পেছন দিকে আামাকে জড়িয়ে ধরে আতিক হাসান।
এতে চিৎকার করলে এগিয়ে এসে আমাকে উদ্ধার করে আশপাশের লোকজন। আসামী আতিক হাসানের বোন মনিরা খাতুন বলেন, আমার ছোট ভাই মাদরাসা পড়ার সময় বাদীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এতে ২০২৫ সালের ২১ আগস্ট মাসে গাজীপুরে বিয়ে করে সংসার শুরু করে তারা। বিষয়টি জানাজানি হলে উভয় পরিবারের সম্মিতিতে ছেলের বাড়িতে এসে ঘর সংসার করতে থাকে তারা। পরে দাওয়াত দিয়ে মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে যান বাবা।
এরপর মেয়েকে দিয়ে আদালতে মামলা করান বাবা। ওই মামলায় ২৬ দিন হাজত খেটে জামিনে বের হয় আতিক হাসান। বের হওয়ার পর আবারও কথা বার্তা চলে তাদের। কিন্তু তাদের মধ্যে কোনো বিচ্ছেদ হয়নি।
মনিরা খাতুন আরও বলেন, স্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও আবারও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলাটি করা হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জোর দাবি জানান তিনি। রৌমারী থানার দায়িত্বরত উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরুল আমিন বলেন, এ বিষয়ে মামলা হয়েছে। তদন্ত চলমান রয়েছে।