বুধবার (২৬ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে মাদ্রাসার আবাসিক ভবনে ডেকে নিয়ে ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক ব*লাৎকা*র করা হয়েছে, এমন অভিযোগ উঠেছে একই শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক মোঃ রেজওয়ান উপজেলার লতিবপুর ইউনিয়নের তনকা এলাকার মনারুল ইসলামের ছেলে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা ও অভিযোগসুত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন রাতে মাদরাসার খাতা মূল্যয়নের কথা বলে ভুক্তভোগী ছাত্রকে নিজের রুমে ডেকে
নেয় শিক্ষক রেদোয়ান। তারপর সুযোগ বুঝে ওই ছাত্রকে জোরপূর্বক যৌন নিপীড়ন করেন। এ সময় ওই ছাত্রের চিৎকারে মাদরাসার অন্যান্য শিক্ষার্থীরা ওই কক্ষের দিকে গিয়ে শিক্ষককে অস্বাভাবিক অবস্থায় দেখতে পায়। এমনটাই থানায় দেওয়া অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও ঘটনার একটি ভিডিও ক্লিপস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ওই এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবারের দাবি, ঘটনার পর বিষয়টি মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে উল্টো ধামাচাপা দেওয়ার অপচেষ্টা করা হয়। পরে নিরুপায় হয়ে ন্যায্য বিচারের আশায় বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে মিঠাপুকুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীর বাবা।
ঘটনা সম্পর্কে জানতে অভিযুক্ত শিক্ষকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক মোঃ রেজওয়ান আত্মগোপনে থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান জানান, ভুক্তভোগী ছাত্রের বাবা থানায় অভিযোগ দিয়েছে। ঘটনাটি খুবই গুরুত্বের সাথে তদন্ত চলছে। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।