


দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে রানীগঞ্জ বাজার, কানাগাড়ী ও পৌরসভার বাগেরহাট বাজারে ফুটপাত না থাকায় দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে বেড়েছে যানজট ও জনভোগান্তি। সড়ক ঘেঁষে দোকানপাট, ভ্রাম্যমাণ দোকান, মালামাল এবং ইজিবাইক, সিএনজি ও অটোভ্যান যত্রতত্র দাঁড়িয়ে থাকায় সংকুচিত হয়ে পড়েছে মহাসড়ক।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, তিন বাজারের বিভিন্ন স্থানে মহাসড়ক ঘেঁষে স্থায়ী ও ভ্রাম্যমাণ দোকান বসেছে। অনেক দোকানের সামনে মালামাল রাখা হয়েছে। কোথাও মাটি ভরাট করায় বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনেও সমস্যা হচ্ছে। কিছু স্থানে ড্রেনের ওপর স্লাব দিয়ে পথ তৈরি করা হলেও সেখানে দোকানের মালামাল রাখায় পথচারীরা তা ব্যবহার করতে পারছেন না।
পথচারী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, পর্যাপ্ত ফুটপাত না থাকায় পথচারীদের বাধ্য হয়ে মহাসড়কের মূল অংশ দিয়ে চলাচল করতে হয়। এতে দ্রুতগতির যানবাহনের কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। নারী, শিশু ও বয়স্কদের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি। স্থানীয়রা মহাসড়কের সীমানা নির্ধারণ, অবৈধ দখলমুক্ত রাখা, পরিকল্পিত ড্রেনেজ ও ফুটপাত নির্মাণ এবং ইজিবাইক, সিএনজি ও অটোভ্যানের জন্য নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড করার দাবি জানিয়েছেন।
সওজ দিনাজপুর সূত্রে জানা গেছে, মহাসড়ক আইন ২০২১ ও হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী মহাসড়কের ভূমির প্রান্তসীমা থেকে পরবর্তী ৩৩ ফুটের মধ্যে স্থাপনা নির্মাণের বিধিনিষেধ থাকলেও এসব বাজারে তা মানা হচ্ছে না।
এ বিষয়ে সওজ দিনাজপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান জানান, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে সার্ভেয়ারদের মাধ্যমে সীমানা মাপজোখ শুরু হয়েছে। আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে আইনি প্রক্রিয়া শেষে উ”েছদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবানা তানজিন বলেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সাথে সমন্বয় করে উচ্ছেদের আগে মাইকিং করে অবৈধ দখলদারদের সতর্ক করা হবে। এরপরও তারা সরে না গেলে জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে কঠোর উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে কার্যক্রম শুরু হবে। স্থায়ী তদারকির মাধ্যমে এবার সমন্বিতভাবে মহাসড়ক দখলমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।