স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, হিলি এলএসডি গোডাউন থেকে সরকারি বিক্রিত ধান নবাবগঞ্জ উপজেলার ভাদুরিয়া একটি মিলে গোপনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, এমন সময় বোয়ালদাড় বাজার পার হয়ে বোয়ালদাড় – শান্তিমোড় মাঝ রাস্তায় এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে ধানের টলিটি আটক করে। পরে চালক ও সহকারি কোন কাগজপত্র না দেখাতে পাড়ায় উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করলে ইউপি চেয়ারম্যান এর পক্ষ থেকে প্রতিনিধি একটি দল ধানের টলিটি বোয়ালদাড় পরিষদে নিয়ে আসা হয়। এরপর উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আতিকুর রহমান পরিষদে আসেন এবং প্রায় ১ ঘন্টা ইউপি পরিষদ চেয়ারম্যান রুমে মিল মালিকদের সাথে বসে বৈঠক এর পর ধানের টলিটি ছেড়ে দেওয়া হয়।
তবে এবিষয়ে পরিচালক ও হেলপার কে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা বলেন, তাদের কাছে কোন কাগজপত্র নেই। ধানগুলো সরকারি এলএসডি খাদ্য গুদাম থেকে নিয়ে আসছে, যাবে ভাদুড়িয়ার আমতলি এলাকার ফঠিকের মেলে।
এছাড়াও গোডাউন থেকে ধান বের হওয়ার সময় কোন সাক্ষর হয়েছে কি না সেই বিষয় জানতে গেলে মিল মালিকের ম্যানেজাররা দুই ম্যানেজাররা বলেন, দুইজনই সাক্ষর করেছেন, তবে, কথা থেকে যায় যে, একই ধান বের করতে দুইজন একই জায়গায় কিভাবে সাক্ষর করে।
তবে এবিষয়ে খাদ্য নিয়ন্ত্রক আতিকুর রহমানের সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি ক্যামেরার সামনে কোন কথা বলতে রাজি নয়। এবং তিনিও কোন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারেনি।
সরকারি ধান গোডাউন থেকে বিক্রির অভিযোগের ভিত্তিতে হিলি এলএসডি ওসি সাজেদুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি মুঠোফোনে বলেন, গোডাউন থেকে যে ধান বাহির হয়েছে সেগুলো ছাঁটাই এর জন্য মিলে যাচ্ছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি আরও বলেন, ওই মিল মালিক ছাটাইয়ের জন্য আরও ধান পাবে।
তবে একটি বিশ্বস্ত মহল থেকে জানতে পারা যায় যে ছাটাইয়ের জন্য যে, সমস্ত গোডাউনে ধান দেওয়ার ছিল সব দেওয়া শেষ হয়েছে। আজকে যে ধানগুলো যাচ্ছিল এই ধানগুলো ওসি এলএসডি বিক্রি করছে।
এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জর্জ মিত্র চাকমাকে আটককৃত ধান কিভাবে ছেড়ে দেওয়া হলো সেই বিষয়ে একাধিকবার ফোন করলেও কোন ফোন রিসিভ করেননি তিনি।
এদিকে সরকারি বিক্রিত ধান আটকের পর ছেড়ে দেওয়ায় এলাকায় জনগনের মাঝে একটি মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।