স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের খাদ্যতালিকায় মুরগির মাংস দীর্ঘদিন ধরেই জনপ্রিয়। তুলনামূলকভাবে হালকা, সহজপাচ্য ও উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ হওয়ায় চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদদের কাছেও এটি নিরাপদ খাদ্য হিসেবে পরিচিত। ঘরোয়া রান্না থেকে শুরু করে রেস্টুরেন্টের মেনু- সবখানেই মুরগির মাংসের আধিপত্য চোখে পড়ে। তবে মুরগির
ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখা অনেকের জন্যই জরুরি। আপনি হয়তো খেয়াল করলে পরিবারের কাউকে না কাউকে খাওয়া ও ঘুমের আগে শরীরে গ্লুকোজের মাত্রা পরীক্ষা করতে দেখে থাকবেন। কার্বোহাইড্রেট-ভারী খাবারের পরে শক্তি হ্রাস পায়। যে কারণে হঠাৎ ক্ষুধা যা স্বাভাবিকের চেয়ে জরুরি
কলার থোড় হলো কলা গাছের ভোজ্য, তন্তুযুক্ত মূল, যা বাঙালি খাবারে বেশ জনপ্রিয়। কলার থোড় দিয়ে তৈরি করা যায় সুস্বাদু তরকারি। আবার এর রসও ঐতিহ্যবাহী ঘরোয়া চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। কলার থোড়ে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, পটাসিয়াম এবং উদ্ভিদ যৌগ
শীতকাল শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে যায় মৌসুমি সংক্রমণও। এসময় সবাই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করার জন্য পরিচিত ফলের দিকে ঝুঁকে পড়ে। দীর্ঘ তালিকার মধ্যে আপেল এবং কমলা সবচেয়ে বেশি খাওয়া হয় এবং সহজলভ্যও। উভয়ই পুষ্টিতে সমৃদ্ধ, তবে শরীরকে ভিনন
বদলে যাওয়া আবহাওয়া, ধুলোবালি আর নানা জীবাণুর এই যুগে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো রাখাটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। অনেকেই ভাবেন, ইমিউনিটি বাড়াতে হয়তো অনেক দামি বিদেশি ফল বা সাপ্লিমেন্টের প্রয়োজন। কিন্তু সত্যিটা হলো, আপনার সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে আপনার রান্নাঘরেই! আমাদের
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমানো এবং হজমশক্তি ভালো রাখতে কাঁচা পেঁপে খুবই উপকারী। এটি শরীরের ভেতর থেকে স্বাভাবিকভাবে পরিষ্কার রাখতেও সাহায্য করে। এই কারণে পেঁপেকে অনেকেই ‘সুপারফুড’ বলে অভিহিত করেন। এছাড়া পুষ্টিবিদরাও নিয়মিত ডায়েটে পেঁপে রাখার পরামর্শ
‘দুধ না খেলে, হবে না ভালো ছেলে’—এই বাক্যটি ছেলেবেলায় শুনেছেন নিশ্চয়ই। একটি সুষম খাবার এটি। দুধের কথা বলতে গেলেই গরু, ছাগল, মানুষ কিংবা কোনো স্তন্যপায়ী প্রাণীর কথা মাথায় আসা স্বাভাবিক। কিন্তু কখনো কি শুনেছেন কোনো পাখি দুধ দেয়? হ্যাঁ, অবাক
সুস্থ থাকতে লিভার ভালো থাকা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, লিভার সুস্থ থাকলে শরীর প্রাণবন্ত থাকে। নানা কারণে শরীরে ফ্যাট জমে। এর মধ্যে রয়েছে- অনিয়ন্ত্রিত খাবার, ওজন বৃদ্ধি, কম চলাফেরা, মানসিক চাপ ইত্যাদি। জীবনধারায় সামান্য পরিবর্তন আনার মাধ্যমে লিভারের ফ্যাট কমানো যায়।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধমনী সংকুচিত হতে শুরু করে, দীর্ঘ সময় বসে থাকা এবং অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের ফলে হৃদরোগের স্বাস্থ্য অবহেলিত হতে থাকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই গুরুতর কিছু না হওয়া পর্যন্ত আমরা এতে মনোযোগ দিই না। ধীরে ধীরে প্লাক জমা শক্ত হয়ে যেতে
কোলন ক্যান্সার কোলন বা মলদ্বারের টিস্যুতে বিকশিত হয়। বিশ্বজুড়ে পুরুষ এবং মহিলাদের উভয়ের ক্ষেত্রেই সবচেয়ে সাধারণ ধরনের ক্যান্সারের মধ্যে এটি একটি। বৃহৎ অন্ত্র (কোলন) থেকে শুরু করে, এটি পলিপ নামক কোষের ছোট, ক্যান্সারবিহীন স্তূপ থেকে বিকশিত হয়। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে