সুস্থ থাকতে লিভার ভালো থাকা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, লিভার সুস্থ থাকলে শরীর প্রাণবন্ত থাকে। নানা কারণে শরীরে ফ্যাট জমে। এর মধ্যে রয়েছে- অনিয়ন্ত্রিত খাবার, ওজন বৃদ্ধি, কম চলাফেরা, মানসিক চাপ ইত্যাদি। জীবনধারায় সামান্য পরিবর্তন আনার মাধ্যমে লিভারের ফ্যাট কমানো যায়।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধমনী সংকুচিত হতে শুরু করে, দীর্ঘ সময় বসে থাকা এবং অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের ফলে হৃদরোগের স্বাস্থ্য অবহেলিত হতে থাকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই গুরুতর কিছু না হওয়া পর্যন্ত আমরা এতে মনোযোগ দিই না। ধীরে ধীরে প্লাক জমা শক্ত হয়ে যেতে
কোলন ক্যান্সার কোলন বা মলদ্বারের টিস্যুতে বিকশিত হয়। বিশ্বজুড়ে পুরুষ এবং মহিলাদের উভয়ের ক্ষেত্রেই সবচেয়ে সাধারণ ধরনের ক্যান্সারের মধ্যে এটি একটি। বৃহৎ অন্ত্র (কোলন) থেকে শুরু করে, এটি পলিপ নামক কোষের ছোট, ক্যান্সারবিহীন স্তূপ থেকে বিকশিত হয়। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে
মধুর একাধিক গুণ রয়েছে। চিনি প্রক্রিয়াজাত বলে, পুষ্টিবিদরা নিয়মিত মধু খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সর্দি-কাশি থেকে মুক্তি দেওয়ার পাশাপাশি দেহের সার্বিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে মধু। কিন্তু বাজারে বিভিন্ন ধরনের মধু পাওয়া যায়। কোনোটি খাঁটি, কোনোটি প্রক্রিয়াজাত। আবার ভেজাল
ওজন কমাতে সঠিক খাদ্যাভ্যাস গ্রহণের বিকল্প নেই। ক্ষুধা লাগুক আর নাই বা লাগুক, নাস্তা খাওয়া হয় একটু পরপরই। ফলে অতিরিক্ত নাস্তা খাওয়ার ফলস্বরূপ ওজন বাড়ে! কিন্তু আপনি যদি নাস্তা খেয়েও ওজন কমাতে চান তাহলে বেছে নিন বিশেষ কিছু খাবার। যেগুলো
চাটনি খেতে কে না পছন্দ করে! বিশেষ করে মুখে যখন তেমন রুচি থাকে না তখন চাটনির কদর বেড়ে যায়। কারণ নানা ধরনের ফল দিয়ে তৈরি চাটনি মুখের স্বাদ ফেরাতে দারুণ কার্যকরী। বাজারে পাওয়া যাচ্ছে পেয়ারা। এসময় পেয়ারার চাটনি তৈরি করতে
কয়েক বছর ধরে দেশের বাজারে ড্রাগন ফলের চাহিদা ও জনপ্রিয়তা বেড়েছে। মূলত স্বাস্থ্যসচেতনদের কাছে একটি জনপ্রিয় ফল। এর অনন্য স্বাদ, আকর্ষণীয় রং এবং ভরপুর পুষ্টিগুণের কারণে অনেকেই প্রতিদিনের ডায়েটে এটি রাখেন। তবে এর অসংখ্য উপকারিতা থাকলেও কিছু মানুষের জন্য এটি
সকালের ব্যস্ততায় ঝটপট নাশতা মানেই অনেকের কাছে পাউরুটি। মাখন, জ্যাম, ডিম বা এক কাপ চায়ের সঙ্গে পাউরুটি যেন নিত্যদিনের সঙ্গী। সহজলভ্য ও দ্রুত প্রস্তুতযোগ্য বলে শহুরে জীবনে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। কিন্তু জানেন কি, নিয়মিত পাউরুটি খাওয়া আপনার শরীরের জন্য মারাত্মক
বাংলাদেশে হাঁসের মাংস একটি জনপ্রিয় খাবার এবং এটি পুষ্টিকর হলেও, এতে ফ্যাট ও ক্যালোরি বেশি থাকে, যা কিছু মানুষের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে, বিশেষ করে যাদের উচ্চ কোলেস্টেরলের সমস্যা আছে তাদের জন্য। হাঁস খাওয়া নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন রয়েছে।
‘ক্যানসার’ এখন শুধু অসুখ নয়, এক আতঙ্কের নাম। রোগীর মানসিক চাপের পাশাপাশি পরিবার-পরিজনও পড়ে যান দুশ্চিন্তার গভীরে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের অগ্রগতি সত্ত্বেও ক্যানসার শনাক্ত হয় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তৃতীয় বা চতুর্থ ধাপে, যখন চিকিৎসাও হয়ে পড়ে জটিল। চিকিৎসকেরা বলেন, রোজের জীবনযাপন, খাওয়াদাওয়ার