এবার ভারতীয়দের জন্য ভিসা সীমিত করেছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার গোপন এক দাপ্তরিক চিঠির মাধ্যমে কলকাতা ডেপুটি হাইকমিশনকে ভারতীয়দের ঢালাওভাবে ভিসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে এখনো কিছুই জানানো হয়নি। আজ (শুক্রবার) থেকে সেই নির্দেশ
টানা দ্বিতীয়বার অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। ইকবাল হোসেন ইমন ও মারুফ মৃধাদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে পাকিস্তানকে মাত্র ১১৬ রানেই গুটিয়ে দেয় যুব টাইগাররা। গ্রুপপর্বে তিনটি ম্যাচ জিতে আসা পাকিস্তানের বিপক্ষে স্বল্প পুঁজিতেও বাংলাদেশকে সংগ্রাম করতে হবে বলে মনে করা
গণঅভ্যুত্থানে যেসব পুলিশ সদস্য কোনো অন্যায় করেনি তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক আয়োজিত কল্যাণ সভায় প্রধান অতিথির
ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে হামলা ও পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার উপ-হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হচ্ছে ওই দুই মিশনের প্রধানকে। বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) কলকাতার মিশনপ্রধান দেশে ফিরেছেন। ত্রিপুরার সহকারী হাইকমিশনারেরও ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে। জানা যায়,
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের রাজধানী কলকাতার আরজি কর হাসপাতালে কিছুদিন আগে এক নারী চিকিৎসককে ধর্ষণের পর হত্যা ঘিরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের মসনদে কাঁপন ধরেছিল। আরজি করে চিকিৎসক খুনের এই ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গে গড়ে উঠেছিল তুমুল আন্দোলন; যা ছড়িয়ে পড়েছিল ভারতজুড়ে। আর এই
ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় আমরা এখনো সজাগ আছি, ঐক্যবদ্ধ আছি বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, ‘৫ আগস্টের আগ পর্যন্ত যে উত্তেজনা এবং শক্তি নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা শত্রুর মোকাবিলা করেছি; আমাদের ছাত্র-জনতা বুক পেতে দিয়েছে, জীবন
আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেছেন, বাংলাদেশ বিরোধী বিভিন্ন তৎপরতা চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে ভারতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে হামলা, দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় হস্তক্ষেপ, বাংলাদেশ বিরোধী প্রচারণার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। ভারতের এসব প্রচারণার বিরুদ্ধে আরও শক্তিশালী এবং বেগবানভাবে মোকাবিলার কথা বলা
বাংলাদেশে কথিত সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে কয়েকদিন ধরেই তোলপাড় চলছে প্রতিবেশী ভারতে। দেশটির গণমাধ্যম থেকে শুরু করে সরকার, এমনকি রাজনৈতিক দলগুলোও সরব হয়েছে এ বিষয়ে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো হচ্ছে একের পর এক ভুল তথ্য। সেসবের প্রভাব পড়েছে দুই দেশের সম্পর্কের
আগরতলায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে হামলার দায় ভারত সরকার কোনোভাবেই এড়াতে পারে না বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, একটা দেশের হাইকমিশনে এভাবে আক্রমণ কোনো সভ্য রাষ্ট্রের আচরণ হতে পারে না। আমরা বলব এই ঘটনায় ভারত সরকার কোনোভাবেই
বাংলাদেশে হামলার চেষ্টা করতে পারে সন্ত্রাসীরা— এমন আশঙ্কা থেকে ব্রিটিশ নাগরিকদের সতর্ক করেছে যুক্তরাজ্য। কোথায় সন্ত্রাসী হামলা হতে পারে নির্দিষ্টভাবে তা বলা না হলেও রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবানে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করা হয়েছে। ৩ ডিসেম্বর হালনাগাদ করা সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে—