1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
গঙ্গাচড়ায় যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে  স্বামী আটক   | দৈনিক সকালের বাণী
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৮:২২ অপরাহ্ন

গঙ্গাচড়ায় যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে  স্বামী আটক  

গঙ্গাচড়া(রংপুর)প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৩০৫ জন দেখেছেন
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার গজঘণ্টা ইউনিয়নের  জয়দেব (২) গ্রামে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলন্ত মৃত দেহ উদ্ধার করেছে গঙ্গাচড়া মডেল থানা পুলিশ। এ ঘটনায় মৃতের স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে এসেছে পুলিশ। তবে মৃতের স্বামী, শ্বশুর ও শ্বাশুড়ীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ তুলে মৃতের পিতা আউয়াল মিয়া বাদী হয়ে থানায় এজাহার দাখিল করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার দিবাগত রাতে।
মৃতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গঙ্গাচড়া ইউনিয়নের পশ্চিম মান্দ্রাইন এলাকার আউয়াল হোসেনের মেয়ে শারমিন আক্তারের সাথে গজঘণ্টা ইউনিয়নের জয়দেব (২) এলাকার মাহবুবর রহমানের পুত্র মুশফিকুর রহমান সোহাগের দু-বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়।
বিয়ের সময় মেয়ের পিতা নগদ ১ লক্ষ টাকা, সমপরিমাণ টাকার কাপড় ও আসবাবপত্র উপহার  দেয়। কিন্তু যৌতুক লোভী স্বামী এতে সন্তুষ্ট না হয়ে বিয়ের ৬ মাস পার না হতেই আবার যৌতুকের জন্য শারমিনের উপর পৈশাচিক  নির্যাতন চালায়। নির্যাতন সইতে  না পেরে শারমিন বাবার বাড়ি চলে যায় এবং আদালতে মামলা দায়ের করে।
মামলা চলাকালে সুচতুর স্বামী সোহাগ  আপোষ- মীমাংসা করে স্ত্রী শারমিনকে ঘরে তুলে নেয়। আবার কিছু দিন যাওয়ার পর যৌতুকের জন্য নানা ভাবে চাপ দেয় এবং পুন:রায় নির্যাতন করে স্বামী সোহাগ। গত শনিবার দিবাগত রাত ১ টার দিকে শারমিনের পরিবারকে স্বামী সোহাগের বাড়ি থেকে ফোনে জানানো হয় শারমিন গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
শারমিনের বোন আরফিনা, চাচাতো ভাই সেলিম রানা, বড় আব্বা আব্দার রহমান জানান, আমরা সংবাদ পেয়ে এসে দেখি পুলিশ গিয়ে ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। শারমিনকে তার স্বামী, শশুর ও শাশুড়ী যৌতুকের জন্য নির্যাতন করতো। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। তারা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে গলায় ওড়না পেচিয়ে ঘরের তীরে ঝুলে রেখে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করার প্রচারণা চালাচ্ছে। শারমিনের পিতা আউয়াল হোসেন বলেন, বিয়ের সময় আমি সাধ্যমত নগদ টাকাসহ অন্যান্য সামগ্রী দিলেও তারা যৌতুকের জন্য মেয়েকে নির্যাতন করতো।
এ জন্য আদালতে মামলা করা হয়েছিলো। পরে বিষয়টি আপোষ হয়। তবে তাদের আসল চেহারা বুঝতে পারি নাই বলে, আজ আমার মেয়েকে জীবন দিতে হলো। যৌতুক লোভী স্বামী, শ্বশুর ও শ্বাশুড়ী আমার  মেয়েকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রেখে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার অপপ্রচার চালায়। আমি আমার মেয়েকে হত্যার অভিযোগে থানায় এজাহার দাখিল করেছি।
এবিষয়ে গঙ্গাচড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আল এমরান জানান, মেয়ের বাবার দাখিলকৃত এজাহার  পেয়েছি,  লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্যে মর্গে পাঠানো হয়েছে।এজাহারভুক্ত আসামী হিসেবে স্বামীকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )