


নীলফামারীর ডোমারে বজ্রপাতে মো. হাসান (১৩) নামের ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় তার ছোট ভাইসহ আরও তিনজন আহত হয়েছেন। সোমবার (২৩ জুন) বিকেলে বৃষ্টির সময় উপজেলার বামুনিয়া ইউনিয়নে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মো. হাসান বামুনিয়া মিস্ত্রীপাড়া এলাকার সাজু মিয়ার ছেলে এবং স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। আহতদের মধ্যে রয়েছেন তার ছোট ভাই মো. হোসাইন (৭), বারোবিশা এলাকার জয়নুল ইসলামের মেয়ে রেমি আক্তার (২২) এবং বামুনিয়ার গোলাম মোস্তফার ছেলে আব্দুল খালেক (৫০)। স্থানীয়রা জানান, বিকেলে বৃষ্টির মধ্যে হাসান ও তার ছোট ভাই দোলাবাড়িতে গৃহপালিত হাঁস আনতে গেলে হঠাৎ বজ্রপাত হয়। এতে ঘটনাস্থলেই হাসানের মৃত্যু হয় এবং হোসাইন অচেতন হয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার উন্নতি হলে হোসাইনকে বাসায় ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
একই সময়ে বজ্রপাতে আহত হন রেমি আক্তার ও আব্দুল খালেক। তারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. রায়হান বারী জানান, হাসপাতালে আনার আগেই হাসানের মৃত্যু হয়। আহতদের মধ্যে হোসাইনের অবস্থার উন্নতি হয়েছে এবং অন্য দুইজনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বামুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মমিনুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই হাসান মারা গেছে।” ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।