


নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম চৌধুরী (তুহিন) বলেছেন, “তারেক রহমান দেশের বাইরে থেকেও দেশের প্রতি অকৃতিম ভালোবাসা ধারণ করে চলেছেন। তিনি তাঁর বাবা-মায়ের কাছ থেকে যে দেশপ্রেম শিখেছেন, তা তিনি আমাদের মাঝেও ছড়িয়ে দিচ্ছেন।” তিনি আরও বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, অচিরেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এটি সময়ের ব্যাপার মাত্র। নির্বাচন যদি সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে তারেক রহমান হবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।”
মঙ্গলবার (৫ই আগস্ট) বিকেলে ডোমার হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় ‘আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতন ও ছাত্র-জনতার বিজয়ের বর্ষপূর্তি’ উপলক্ষে এই আয়োজন করা হয়।
তুহিন বলেন, “১৮ বছর ধরে আমরা নির্যাতিত ও নিপীড়িত হয়েছি। বেগম খালেদা জিয়া নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মী নিপীড়িত হয়েছেন। তারেক রহমানও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। আমরা হারিয়েছি অনেক নেতাকর্মীকে, অনেকে আজ পঙ্গু হয়ে গেছেন, বহু মায়ের বুক আজ শূন্য। এত কিছুর পরও গত ১৬ বছর ধরে আপনাদের মতো সাহসী নেতাকর্মীদের ভালোবাসায় বিএনপির পতাকা আমরা ধরে রেখেছি।
বাংলাদেশে যদি বিএনপির মতো একটি দল না থাকতো, তাহলে দেশ আজ কম্বোডিয়ার মতো পরিস্থিতিতে পড়তো। বিএনপি ছিল বলেই এই দেশে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার অস্তিত্ব রক্ষা পেয়েছে। অবশ্যই অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোও আমাদের সঙ্গে ছিল। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে, আল্লাহর রহমতে, আজ বাংলাদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। আমরা পেয়েছি একটি নতুন বাংলাদেশ, আর স্বৈরাচারের পতন ঘটেছে।”
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ডোমার উপজেলা ও পৌর শাখা এবং তাদের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের আয়োজনে বিকেলে ডোমার বাটার মোড় থেকে একটি বিজয় র্যালি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে হাইস্কুল মাঠে গিয়ে মিলিত হয়। এতে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডোমার উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেয়াজুল ইসলাম কালু, সাধারণ সম্পাদক আখতারুজ্জামান সুমন, ডোমার পৌর বিএনপির সভাপতি আনিছুর রহমান আনু, সাধারণ সম্পাদক মো. মোজাফ্ফর আলী এবং নীলফামারী জেলার সাবেক ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রায়হানুল হক প্রধান ইউসুফ।