1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
হিলি পৌর ভূমি অফিসের তহশীলদারের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে হয়রানির অভিযোগ  | দৈনিক সকালের বাণী
মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন

হিলি পৌর ভূমি অফিসের তহশীলদারের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে হয়রানির অভিযোগ 

হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২০২ জন দেখেছেন
হিলি পৌর ভূমি অফিসের তহশীলদারের বিরুদ্ধে কাজ না করে সাধারণ মানুষদের হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। সেবা নিতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ জনগন। সেবাপ্রত্যাশীদের অভিযোগ, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবহেলা, দীর্ঘসূত্রিতা ও পৌর তহশিলদারের হয়রানির কারণে একটি সাধারণ কাজ শেষ করতে মাসের পর মাস ঘুরতে হচ্ছে তাদের।বিভিন্ন তালবাহানা দিয়ে অফিস থেকে ফেরত দেয় তহশিলদার বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
ভুক্তভোগী আনিছুর রহমান বলেন, ভূমি অফিসে কোনো কাজ করতে গেলেই ঘুরপাক খেতে হয়। একটি সাধারণ কাগজ তুলতেও দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হয়। প্রতিবার ভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
ইমদাদুল হোসেনের অভিযোগ, জমির খাজনা দিতে গেলেও নানা অজুহাতে কাজ হয় না। কখনো বলা হয় ফাইল নেই, কখনো কর্মকর্তা নেই।
ক্ষোভ প্রকাশ করে মোছা. উম্মে খাতুন বৃষ্টি বলেন, ইচ্ছে করেই মানুষকে হয়রানি করা হয়। তহশিলদার নিজে কম্পিউটার চালাতে পারেন না, বাইরে থেকে লোক এনে কাজ করান। এতে ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। এখন আমাদের দরকার প্রযুক্তিজ্ঞানসম্পন্ন আধুনিক তহশিলদার, যিনি দ্রুত ও স্বচ্ছ সেবা দিতে পারবেন।
শহীদুল ইসলাম বলেন, ভূমি অফিসে সঠিক তথ্য না দেওয়ায় সাধারণ মানুষ দালালের শরণাপন্ন হতে বাধ্য হচ্ছেন। আমি তার নামে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু কোনো ফল হয়নি। মনে হয় তার হাত অনেক লম্বা।
তিনি আরও বলেন, তহশিলদার অফিসে ঠিক মতো থাকেন না। তদন্ত করার নাম করে তিনি অফিস বাদ দিয়ে নিজের ব্যাক্তিগত কাজ করে বেড়ান। দুপুরে খাবারের জন্য গেলে তিন ঘন্টা পর অফিসে আসেন। এছাড়াও তিনি রবিবার বার করে ডিসি অফিসে যাওয়ার নাম করে বিকাল তিনটা পর্যন্ত অফিসে আসেন না। তিনটার পর অফিসে আসেন।
মোলায়েম হোসেন বলেন, আমার সব অনলাইন খারিজ ও খাজনা পরিশোধ করা আছে। তবুও নানা অজুহাতে কাজ শেষ হয় না। রাতের বেলায় তদন্তের নামে কাজ করা হয়, যা সন্দেহজনক।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে শাহিদা বেগম বলেন, চারবার খারিজের আবেদন করেছি। প্রতিবারই আমার আবেদন বাতিল করা হয়েছে। অথচ একই দাগের অন্যদের খারিজ হয়ে যাচ্ছে। মনে হয় ইচ্ছে করেই আমাকে হয়রানি করছে তহশিলদার।
অভিযোগ অস্বীকার করে পৌর তহশিলদার মো. জিল্লুর রহমান বলেন, ভূমি অফিসে প্রচুর কাজের চাপ থাকে। আমরা নিয়ম মেনেই কাজ করি। কাউকে হয়রানি করার সুযোগ নেই।
হাকিমপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সাব্বির হোসেন বলেন, তহশিলদারের বিষয়ে যদি লিখিত অভিযোগ থাকে, তা অবশ্যই খতিয়ে দেখা হবে। আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম, বিষয়টি দেখা হবে।
দিনাজপুর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. জানে আলম বলেন, জনগণকে সেবা দেওয়াই আমাদের প্রধান দায়িত্ব। কারও বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )