


কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে কর্মরত গাড়ী চালক জাহিদ আহমেদের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের পাশে তার ভাড়া বাসার বারান্দায় ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায় স্ত্রী। পরে খবর পেয়ে নাগেশ্বরী থানার পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
ফায়ার ফাইটার জাহিদ রংপুরের কাউনিয়া থানার মোহাম্মদ আলী শহীদের ছেলে। সে নাগেশ্বরীতে স্ত্রী সন্তান নিয়ে শামসুল হক ব্যাপারীর বাড়িতে দুই বছর থেকে ভাড়া থাকতো।বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে কাজ শেষে বাসায় গিয়ে সে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্বহত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাড়ির মালিক শামসুল হক জানান, সকালে তার স্ত্রী ৬বছরের কন্যা সন্তানকে নিয়ে স্কুলে যায়। সেসময় জাহিদও ডিউটি করতে বের হয়। পরে দুপুরে তার স্ত্রী ফিরে দেখেন কক্ষের দরজার সামনে বারান্দার চালের কাঠের সাথে রশি লাগিয়ে ফাঁস দিয়েছে জাহিদ।
পরিবার জানায় জাহিদ ১০ -১২ লাখ টাকা ঋণগ্রস্থ হয়ে পড়েছিলো। হতাশা থেকে হয়তো আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে সে।নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম রেজা জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্ত করার জন্য কুড়িগ্রাম মর্গে পাঠানো হেয়েছে।